ডিম দিবস : ভারসাম্যপূর্ণ বাজারদর নিশ্চিতের আহবান

জরুরি প্রোটিনের উৎস হিসেবে ডিমকে নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তবে বর্তমান সময়ে ডিমের ক্রমশ উর্ধ্বমুখী বাজারদরে বিপাকে সাধারণ ক্রেতারা। আজ ডিম দিবসের আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে ডিমের দাম বাড়িয়ে বাজার অস্থিতিশীল করছে।
খাবারের মধ্যে আমিষের সহজ উৎস হওয়ায় ডিমের চাহিদা সবসময়ই। একটি ডিমের বায়োলজিকাল ভ্যালু ৯৬ শতাংশ, ডিমে কার্বোহাইড্রেট ০.৭২ গ্রাম,প্রোটিন ১২.৫৬ গ্রাম, ফ্যাট ৯.৫১ গ্রাম। ফসফরাস ১৯৮ মিলিগ্রাম,পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম, জিঙ্ক ১.২৯ মিলিগ্রাম। ভিটামিন এ, ডি, ই, বি ১২, আয়রন, কোলেস্টেরল, কোলিন ইত্যাদি। অর্থাৎ ডিমে আছে বৈচিত্র পুষ্টিগুণ।
প্রতিদিন কমপক্ষে একটি করে ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন পুষ্টিবিদেরা।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত দশ বছরে বাংলাদেশে ডিম উৎপাদন তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে সম্প্রতি লাগাম ছাড়িয়েছে ডিমের বাজারদর। উৎপাদন বাড়লে দাম যেন নিয়ন্ত্রণ করাই যাচ্ছে না। ফলে ডিম কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ আয়ের ক্রেতাদের।
অবশ্য পোল্ট্রিখাত সংশ্লিষ্টদের দাবি, চলতি বছর ডিম উৎপাদনে খরচ বেড়ে যাওয়ায় দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে, ডিম দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশে পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল। এতে যোগ দিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, ডিমের দাম নাগালে মধ্যে রাখতে বাজার সংশ্লিষ্টদের অতি মুনাফা লাভের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
“প্রতিদিন একটি ডিম, পুষ্টিময় সারাদিন” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে এবছর উদযাপিত হলো বিশ্ব ডিম দিবস। তবে দিন দিন যেভাবে ডিমের দাম বাড়ানো হচ্ছে তাতে কি -সবার পক্ষে -প্রতিদিন ডিম খাওয়া সম্ভব? এমন প্রশ্ন রেখে ভোক্তারা বলছে, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকেই নিতে হবে কঠোর পদক্ষেপ।
বাংলা টিভি / বুলবুল



