
অনিবন্ধিত এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে চিকিৎসা সেবা না দেয়া প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে, জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
দুপুরে, কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে বৃহত্তর কুমিল্লা ও বৃহত্তর নোয়াখালীসহ ৬ জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্য স্থাপনা উদ্ধোধন এবং প্রান্তিক পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ অনুষ্ঠানে, একথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বহু বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে এবং লাইসেন্স নবায়ন করতে নোটিশ দেয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিবন্ধন নবায়ন না করলে এবং সেবার মান সংশোধন না হলে ওইসকল প্রতিষ্ঠানগুলোও বন্ধ করে দেয়া হবে।
করোনার টিকার জন্য ৪৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। বহু দেশে বিনামূল্যে টিকা দেয়নি। টাকা দিয়ে কিনে নিতে হয়েছে। আমরা সব মানুষকে বিনামূল্যে টিকা দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আছেন বলেই এটা সম্ভব হয়েছে।
ডাক্তার-নার্সদের ইন্টার পার্সোনাল রিলেশনশিপ ভালো রাখতে হবে। রেগুলার সুপারভিশন করতে হবে। হাসপাতাল একটু পরিষ্কার রাখলে, যন্ত্রপাতি সচল রাখলে দেখবেন হাসপাতাল আন্তর্জাতিক মানের হয়ে গেছে।
করোনার সময়ে আমাকে অনেকেই বলেছিল মেডিকেল স্টুডেন্টদের অটো পাস দেওয়ার জন্য। আমি সাফ জানিয়ে দিয়েছি, না এটা হবে না। পরীক্ষা হবে, পরীক্ষার মাধ্যমেই পাস করে আসতে হবে মেডিকেল স্টুডেন্টদের।
স্বাস্থ্যসেবার উন্নতির চিত্র তুলে ধরে জাহিদ মালেক বলেন, উন্নত চিকিৎসা জন্য ঢাকায় যেতে হবে না। এখন কুমিল্লাতেই সব চিকিৎসা সম্ভব। বাংলাদেশের সব মানুষই চিকিৎসার আওতাধীন, চিকিৎসার বাইরে কেউ নেই। ইপিআই টিকাদান আগে ছিল না। বর্তমানে সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো ভালো চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে। বাইপাস সার্জারির জন্য কেউ এখন আর বিদেশ যায় না, দেশেই বাইপাস সার্জারি হচ্ছে। স্বাস্থ্যের বর্তমান ডিজি তো কুমিল্লার। অন্য জেলায়, মন্ত্রীর জেলায় না পেলেও ডিজির জেলায় অবশ্যই পাওয়া যাবে।
তিনি বলেন, টিবির প্রাদুর্ভাব রয়েছে। ২-৩ লাখ লোক আক্রান্ত হচ্ছে, বছরে ৫০ হাজারের মতো মারা যায়। হিসেবে দৈনিক ১০০ মানুষ মারা যায়, এগুলো পত্রিকায় জায়গা পায় না, জায়গা পায় করোনায় ১-২ জন মারা গেলে।
বাংলাটিভি/শহীদ



