
প্রতিবেদনে সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, বর্তমানে সুরমা, কুশিয়ারা, সারিগোয়াইন ও খোয়াই নদ–নদীর পানি সব কটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে সুরমা নদীর পানি কমতে শুরু হয়েছে। বহু মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন। জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পানিবন্দী মানুষদের উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সুনামগঞ্জে নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। জেলার ধর্মপাশায় ৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
নেত্রকোনার ছয়টি উপজেলার (দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, বারহাট্টা, মদন, খালিয়াজুরি ও মোহনগঞ্জ) ৩৯টি ইউনিয়নের ৭ হাজার ২৩০টি পরিবারের ৩১ হাজার ৬৯০ জন মানুষ এবং সাড়ে ১২ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বাংলাটিভি/রাজ



