Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
ফুটবলখেলাধুলা

৫ গোলের ম্যাচে বার্সার নাটকীয় জয়

চার মিনিটের মধ্যে দুটি পেনাল্টি! একটি কাজে লাগাতে পারল লেভান্তে, অন্যটি রুখে দিলেন মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেন। চার মিনিটে দুই গোল করে এগিয়ে গেল বার্সেলোনা।

পরে প্রতিপক্ষকে আরেকটি পেনাল্টি উপহার দিয়ে পয়েন্ট হারানোর শঙ্কায় পড়ে তারা। তবে লুক ডি ইয়ংয়ের শেষ দিকের গোলে স্বস্তির জয় তুলে নিল জাভির দল।

১৪ ম্যাচ দীর্ঘ অপরাজিত যাত্রা নিয়ে বার্সেলোনা পা রেখেছিল লা লিগার অবনমন অঞ্চলে থাকা লেভান্তের মাঠে। সেই লেভান্তেই কি-না রীতিমতো হারিয়ে দেওয়ার হুমকিই দিচ্ছিল কোচ জাভি হার্নান্দেজের দলকে। তবে এত কিছুর পরেও বার্সা ঠিকই জয় তুলে নিয়েছে। ৩-২ গোলের এই জয়ে জাভির দল চাপটা ধরে রাখল লিগের শীর্ষে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের ওপর।

প্রথমার্ধে বলের দখলে থাকলেও গোলের সুযোগ খুব একটা সৃষ্টি করতে পারেনি বার্সা। ঘটনাবহুল এই ম্যাচের তিন পেনাল্টি আর পাঁচ গোল- সবই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে।

বিরতির পর দানি আলভেসের ভুলে পেনাল্টি পেয়ে যায় লেভান্তে। সে থেকে গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন হোসে লুইস মোরালেস। এর মিনিট দুয়েক পর বক্সে ভেসে আসা বলে হাত ছুঁইয়ে প্রতিপক্ষকে পেনাল্টি দিয়ে বসেন এরিক গার্সিয়া। রজার মার্তির নেয়া সেই পেনাল্টি ঠেকিয়ে বার্সাকে আরও পিছিয়ে পড়ার হাত থেকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক টের স্টেগেন।

খেলার মোড়টা ঘুরল এরপরই। সেই পেনাল্টি সেভের পরই দুই মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং ও নিকো গঞ্জালেসকে তুলে পেদ্রি ও গাভিকে নামান বার্সা কোচ। এর কিছু পরই নিজেদের প্রথম গোল পায় বার্সা। দেম্বেলের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে গোলটি করেন পিয়েরে এমেরিক অবামেয়াং।

এর মিনিট তিনেক পর আবারও গোলের দেখা পেয়ে যায় বার্সা। ২-১ গোলে এগিয়ে যায় বার্সা। ৮২তম মিনিটে ডি-বক্সে বার্সেলোনার ক্লেমোঁ লংলে প্রতিপক্ষের দানি গোমেসকে ফেলে দিলে তৃতীয় পেনাল্টি পায় লেভান্তে। স্কোরলাইন ২-২ করেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার গনসালো মেলেরো।

তখন আরও এক বদলি ম্যাচের গতিপথটাই পাল্টে দেয়। ৮৪তম মিনিটে অবামেয়াংয়ের বদলি নামেন লুক ডি ইয়ং। গত বছর সেভিয়া থেকে ধারে কাম্প নউয়ে আসা এই ডাচ ফরোয়ার্ড যোগ করা সময়ে লেভান্তের জালে বল পাঠিয়ে উচ্ছ্বাসে ভাসান বার্সেলোনা সমর্থকদের। জর্দি আলবার ক্রসে হেডে গোলটি করেন তিনি।

৩০ ম্যাচে ১৭ জয় ও ৯ ড্রয়ে বার্সেলোনার ৬০ পয়েন্ট। সমান পয়েন্ট নিয়ে তিনে নেমে গেছে সেভিয়া। তাদের সমান ৩১ ম্যাচে ৭২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button