রমজান সামনে রেখে বাজারে বিভিন্ন পণ্যের চড়াদাম

রমজানকে সামনে রেখে বাজারে বেড়েছে বিভিন্ন পন্যের দাম। বিশেষ করে খেজুর ও ফলমূলের চাহিদা বাড়ার দাম কিছুটা বেড়েছে। এছাড়া রমজান নির্ভর নিত্যপন্যের মধ্যে মসুরীর ডালের দাম চড়া। তবে ভোজ্যতেলের দাম সহনীয় রয়েছে। কাঁচাবাজারে বেগুনের দাম বেড়েছে আরেক দফা। একধাক্কায় লেবুর দাম হয়েছে দিগুন। বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে নজরদারি বাড়ানোর দাবি ক্রেতাদের।
চড়াদামে তপ্ত রোজার বাজার। প্রতিবার রমজান মাসে এলেই যেন বেড়ে যায় নিদিষ্ট কিছু খাদ্যপণ্যের দাম।রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রোজা উপলক্ষে মানভেদে বিভিন্ন জাতের খেজুর বিক্রি হচ্ছে বেশ চড়া দামে। ইরানি মরিয়ম খেজুর বিক্রি কেজিতে ২০ বেড়ে ৬৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং আজুয়া খেজুর বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৮০০ টাকায়। তবে আনবারা ও সাফাওয়ি খেজুরের দাম আগেরর মতোই ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি।
এদিকে, কিছুটা স্থিতিশীল দামে ছোলা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭৫ টাকা, এছাড়া ডাবলি ৫৫, বেসন ৮০ টাকা কেজি। তবে এখনো উর্ধ্বমুখী রয়েছে মুসরি ডালের দাম, কেজিপ্রতি দর ১৩০ টাকা। এছাড়া বাজারে ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে লিটারপ্রতি ১৫০ টাকা।
অন্যদিকে, রমজান নির্ভর কাঁচাবাজারে অবস্থা আকাশচুম্বী। কেজিপ্রতি শসার দাম ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। রমজান সামনে তাই বেড়েছে বেগুনের দাম, বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। আর লেবু ডজনপ্রতি দাম দ্বিগুন হয়ে দাঁড়িয়েছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়।
এছাড়া, ফলের বাজার অপরির্বতিত অনেকটা। তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দর ধরে। আকারভেদে বেল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়, বাঙ্গী ১০০ টাকা এবং আনারস প্রতিহালি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়ক্রেতারা বলছেন, রমজানে বাজারে লাগাম টানতে সরকারের কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাটিভি/শহীদ



