
শনিবার সরকারি সাপ্তাহিক ছুটিরদিনে, বইমেলায় ছিলো উপচে পড়া ভীড়। উৎসবমুখর সাজে মেলায় আসেন নানা বয়সের পাঠক।
বইমেলায় নতুন বইয়ের প্রতি ঝোঁক যেমন তরুণদের, তেমনি বাবা-মায়ের সঙ্গে আসা শিশু পাঠকও তুলনামূলক বেশি। বিভিন্ন স্টলে ঘুরে বইয়ের মলাট উল্টে-পাল্টে দেখছেন বইপ্রেমীরা। কেউ কিনছেন পছন্দসই বই, কেউবা ঘুরে ঘুরে দেখছেন নানা ধরণের বইগুলো। সামনের দিনগুলোতে মেলায় বই বিক্রির সংখ্যা বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন প্রকাশক ও বিক্রয়কর্মীরা। অমর একুশে গ্রন্থমেলায় আজও বেশ কিছু লেখকের নতুন বই প্রকাশিত হয়েছে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় অমর একুশে গ্রন্থমেলায় পাঠক-লেখকদের ভিড় দেখা গেছে। প্রতিটি স্টলেই কমবেশি বই বিক্রি চলছে। পাঠকরা বইয়ের সঙ্গে প্রিয় লেখকের অটোগ্রাফ সংগ্রহ করছেন। কেউবা ফ্রেমবন্দি হচ্ছেন প্রিয় লেখকের সঙ্গে।
বাংলা একাডেমির তথ্যকেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছে, প্রথম চারদিনে নতুন বই এসেছে ৩৭৯টি। আর পঞ্চম দিনে এসেছে ১৪৩টি। অর্থাৎ মেলার প্রথম পাঁচ দিনে ৫২২টি নতুন বই এসেছে।
করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার মেলা দুই সপ্তাহ দেরিতে শুরু হয়েছে। ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। রাত ৮টার পর কেউ মেলায় ঢুকতে পারবে না। তবে ছুটির দিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা চলবে। এ ছাড়া মহান একুশে ফেব্রুয়ারির দিন মেলা শুরু হবে সকাল ৮টায়, চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।
বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় সাড়ে সাত লাখ বর্গফুট জায়গায় এবারের বইমেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০২টি প্রতিষ্ঠানকে ১৪২টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৩২টি প্রতিষ্ঠানকে ৬৩৪টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মোট ৫৩৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭৬টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এবারের মেলায় ৩৫টি প্যাভিলিয়ন রয়েছে।
বাংলাটিভি/শহীদ



