
গাজীপুরের শ্রীপুরে মিল ফ্যাক্টরির কয়েকশত অপরিশোধিত বিষাক্ত তরল বর্জ্যে কৃষকের ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। বিগত ৩ বছর ধরে স্থানীয় চাষিরা এ জমিতে পারছে না ধানসহ সব ধরনের শাক সবজি। তবে কৃষিনির্ভর কৃষকদের অবস্থা বেগতিক। এদের কবল থেকে মুক্তি চান ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। তবে আশ্বস্ত করলেন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর।
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার উত্তর সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে প্রায় অর্ধশত কিলোমিটার দৈর্ঘ্যর লবনদহ নদ।
শ্রীপুর পৌরসভা ও গাজীপুর সদরের অসংখ্য কল-কারখানার অপরিশোধিত তরলবর্জ্য মাটির নিচ দিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় সরাসরি ছাড়া হচ্ছে লবনদহ নদে। দখল দূষণে মৃত প্রায় এ নদে পতিত এসব বিষাক্ত তরলবর্জ্য উপচে গিয়ে পড়ছে কৃষকের জমিতে। আর এতেই নষ্ট হচ্ছে এ অঞ্চলের প্রায় কয়েকশ একর ফসলের জমি। এতে করে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয়রা।
গতবছর নদটি পুনঃখননের কাজ শুরু হয়। তবে ১৮ কিলোমিটার খননের কথা থাকলেও মাত্র ৫ থেকে ৬ কিলোমিটার খননের পর হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় বলে জানান স্থানীয়রা।
যেসব কল-কারখানা বর্জ্য শোধনাগার বা ইটিপি চালায় না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।দ্রুত ব্যবস্থা নিলে নদটি আগের অবস্থায় ফিরবে এবং পরিবেশ বিপর্যয় কমবে এমন প্রত্যাশা ভুক্তভোগীদের।
বাংলাটিভি/শহীদ



