প্রধান বিচারপতি নিয়োগে সরকারের ভূমিকা নেই: আইনমন্ত্রী

প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকেই নিয়োগ দিতে পারেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বলেছেন, এক্ষেত্রে সরকারের কোনো ভূমিকা নেই।
আজ বুধবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির সংলাপ পদ্ধতি নিয়ে ‘বিতর্কের অবকাশ নেই’ বলে মন্তব্য করে আইনমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আইন হোক- তা তিনিও চান। কিন্তু এবার সে সময় নেই, আর সংসদকে এড়িয়ে অধ্যাদেশ জারি করতেও তিনি রাজি নন।
মন্ত্রী বলেন, “সংবিধানে বলা আছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। আইন করার কথাও বলা আছে। আইন করা উচিত। আমিও বলি আইন হবে। তবে বর্তমান কমিশনের মেয়াদ ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়ে যাবে। তাই এর মধ্যে আইন করা সম্ভব না”।
তিনি বলেন, ১৫ ফেব্রুয়ারি যেহেতু এই নির্বাচন কমিশনের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং সংসদ এর মধ্যে আইন করতে পারবে না।
নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ শুরু করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। আইন না থাকায়, রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক ক্ষমতা বলে সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন করে থাকেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ৬ জন এই সার্চ কমিটির সদস্য। তাদের মধ্যে ৪ জনই কিন্তু সাংবিধানিক পোস্ট হোল্ডার। আর ২ জন সিভিল সোসাইটি থেকে। এখানে কিন্তু রাজনৈতিক দলের কেউ নেই। সরকারি দলের কেউ নেই। সার্চ কমিটি ১০ জনকে সিলেক্ট করবে এবং নাম রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাবে। সবার নাম দেওয়ার ক্ষমতা ও অধিকার আছে। নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে কোনো বিতর্ক করার অবকাশ নেই।
বাংলাটিভি/ রাপ্পি



