Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
দেশবাংলাজনদুর্ভোগ

শেরপুর সীমান্তে গত দেড় দশকে ২৫ হাতির মৃত্যু

শেরপুর সীমান্তের গারো পাহাড়ে, প্রতি বছর শীত মৌসুমে দেখা যায়, বন্য হাতি। বন্য প্রাণির বিচরণের জায়গায় আবাসভূমি গড়ে তোলায়,হাতি ও মানুষের দ্বন্দ দীর্ঘ দিনের। স্থানীয়দের আক্রমণে দেড় দশকে মৃত্যু হয়েছে ২৫টি হাতির আর তাদের আক্রমণে প্রাণ গেছে অর্ধশতাধিক মানুষের। লোকালয়ে হাতি ঠেকাতে এবার সোলার ফেন্সিং,সার্চ লাইট ও জেনোরেটর বসিয়েছে প্রশাসন। শেরপুরের গারো পাহার থেকে এ বিষয়টি নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন করেছেন সহকর্মী নাঈম ইসলাম। গারো পাহাড়ের পাকা সড়কের পাশে “হাতি পারাপারের রাস্তা” লেখা সাইনবোর্ড দেখে, অবাক হতে পারেন, যে কেউ। এই রাস্তা দিয়েই আমন মৌসুমে বন্য হাতির দল, লোকালয়ে প্রবেশ করে।

 দীর্ঘ সময়ে পাহাড়ি এলাকায় লোকালয় গড়ে ওঠায়, মানুষের সাথে দ্বন্দ বাড়ছে বন্য হাতির। খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে বের হলেই ঘটছে দূর্ঘটনা।

 ৫০ থেকে ৬০ টি বুনো হাতির দল সীমান্তের ওপার থেকে এসেছে গারো পাহাড়ে। তারা বনের মধ্যেই অবস্থান করে। কিন্তু বন দখল করে আবাদ ও বাড়িঘর করায়, হাতি ঠেকাতে মরিয়া স্থানীয়রা। তাই এলাকা বিদ্যুতায়িত করে,মশাল জ্বালিয়ে,আগুনের ঢিল ছুড়ে ও হাতির শরীরে আগুন লাগিয়ে হাতি ঠেকানোর চেষ্টা করছে তারা। এতে বাড়ছে দূর্ঘটনা,মারা পড়ছে হাতি। আতঙ্ক ও ক্ষোভে মানুষেরও ক্ষতি করছে, বন্য হাতির পাল।

এদিকে হাতির মৃত্যুর তদন্ত ও জড়িতদের শাস্তির দাবীতে মানব বন্ধন করেছে, পরিবেশবাদী কয়েকটি সংগঠন। এদিকে হাতি আতংকে দিন কাটাচ্ছেন পাহাড়িরা।

সীমান্তের মানুষের দাবীর প্রেক্ষিতে,হাতি ঠেকাতে নানা ব্যবস্থা নিয়েছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন।মানুষ দিনদিন বনের দিকে ঝুঁকছে। হাতি কখনো শহরে এসে আক্রমণ করেনা। বললেন হাতি বিশ্লেষক

লোকালয়ে হাতির প্রবেশ ঠেকাতে কাঁটাযুক্ত গাছ রোপন,এলিফেন্ট রেসপন্স টিম ও বৈদ্যুতিক ফেন্সিংসহ, নানা উদ্যোগ নেয়ার দাবি স্থানীয়দের।

ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/ এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button