কুমিল্লার উৎপাদিত পানিকচু ও কচুর লতী দেশ পেরিয়ে বিদেশে

দেশ পেরিয়ে বিদেশেও যাচ্ছে, কুমিল্লার বরুড়ায় উৎপাদিত পানিকচু ও কচুর লতী। এখান থেকে প্রতিবছর প্রায় এক হাজার টন পানিকচু ও কচুর লতী রপ্তানি হয়ে থাকে। লাভজনক হওয়ায় এর চাষে ঝুঁকছেন স্থানীয় কৃষকরা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে সবধরনের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে।
কচু আর লতীর জন্য, ব্যাপক পরিচিত হয়ে উঠেছে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা। সেখানে প্রতি হেক্টর জমিতে প্রায় ২৫টন পর্যন্ত লতি উৎপাদিত হয়। বরুড়ায় উৎপাদিত পানিকচু ও লতি দেশিয় বাজারের পাশাপাশি যাচ্ছে দুবাই,সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে।
স্থানীয় চাষী ও আড়তদাররা জানায়, সহযোগিতা পেলে আরও ব্যাপকভাবে এর আবাদ করা যাবে। লতীর চাষের জন্য বরুড়ার মাটি খুবই উপযোগী জানিয়ে কৃষি অধিদপ্তর কর্মকর্তারা জানালেন, এ বিষয়ে কৃষকদেরকে সব ধরনের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। পানিকচু ও লতী চাষ লাভজনক হওয়ায়, দিন দিন নতুন অনেকেই এর আবাদের প্রতি ঝুঁকছেন।
বাংলাটিভি/শহীদ



