
ভোলায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নদী ও খালে খাঁচায় মাছ চাষ। কম পুঁজিতে অধিক লাভজনক হওয়ায় ভাসমান এ পদ্ধতিতে মাছ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন চাষীরা। ফলে দিন দিনই বাড়ছে চাষীদের সংখ্যা। এতে করে জেলায় বেকারত্ব কমে যাওয়ার পাশাপাশি মৎস্য উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এ পদ্ধতিতে মাছ চাষে ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে অনেকের।
ভোলা সদরের চর সেমাইয়া,ভেদুরিয়া,ভেলুমিয়া,ধনিয়া ও বিভিন্ন উপজেলার নদী ও খালের মুক্ত জলাশয়ে, প্রায় ১ হাজার ভূমিহীনসহ মৎস্যজীবি খাঁচায় মাছ চাষ করছেন। এ পদ্ধতিতে মাছ চাষ করতে জিআই পাইপ,ড্রাম ও নেট দিয়ে তৈরি করা হয় এ খাঁচা। আর প্রতিটি খাঁচা তৈরিতে খরচ হয়, ১০/১২ হাজার টাকা। খাঁচাগুলোতে মনোসেক্স তেলাপিয়া,পাঙ্গাস,সরপুঁটি ও কার্প জাতীয় মাছ চাষ করা হয়। আর প্রতিটি খাঁচায় চাষ করা যায় সর্ব্বোচ ১ হাজারের মত মাছ।
বছরে দুইবার এ পদ্ধতিতে মাছ চাষ করা যায়। কম খরচে খাঁচায় মাছ চাষে অধিক লাভজনক হওয়ায়, দিন দিনই বাড়ছে চাষীদের সংখ্যা। ভূমিহীন মৎস্যজীবিদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে, বিনামূল্যে খাঁচাসহ বিভিন্ন ধরণের সহযোগীতা করছে গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা ফলে, স্বাবলম্বী হচ্ছেন অনেকে।
মাছ চাষীরা জানান,২০১৬ সালের দিকে বেসরকারি গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা থেকে বিনামূল্যে খাঁচা ও প্রশিক্ষণ পেয়ে, এ পদ্ধতিতে প্রথমবারের মত মাছ চাষ শুরু করেন তারা।
বাংলাটিভি/ শহীদ



