
করোনা মহামারিতে সব ক্ষেত্রের সাথে কঠিন প্রভাব পড়েছে বাইশ গজেও। দীর্ঘ সময় পর ফের মাঠের লড়াই শুরু হলেও বিধিনিষেধের বেড়াজালে বন্দি খেলোয়াড়রা। করোনার কারণে জৈব সুরক্ষা বলয়ের কারণে বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে জীবনযাপন। টানা খেলার সঙ্গে কঠিন বায়োবাবলে ক্লান্ত ক্রিকেটাররা।
তবে অন্য দেশগুলো পরিস্থিতি বুঝে রোটেশন বা পালা করে ক্রিকেটারদের খেলালেও তেমন সামর্থ্য অবশ্য বাংলাদেশের নেই। কারণ সাকিব-মাহমুদউল্লাহদের খুব বেশি বিকল্প না থাকায় এখনো সে পথে হাঁটতে পারেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
এর ফলে মাঠের খেলায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ক্রিকেটারদের মানসিকতায় পাশাপাশি শরীরেও বেশ প্রভাব পড়েছে। এজন্য সিরিজ চলাকালেও পরিপূর্ণ অনুশীলন করতে পারছেন না খেলোয়াড়রা। ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। বারবার বিশ্রামের প্রয়োজন পড়ছে তাদের।
গত কোরবানির ঈদের আগে থেকেই ঠাসা সূচিতে বন্দি টিম টাইগার্স। শ্রীলঙ্কার পর জিম্বাবুয়ে সফর। তারপর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা পাঁচ টি-টোয়েন্টি। যে ম্যাচগুলোর মাঝে মাত্র একদিন বিরতি ছিল। এরপর চলতি নিউজিল্যান্ড সিরিজেও একই অবস্থা। এই সিরিজ খেলতে গত ২৪ আগস্ট হোটেলে উঠে বাংলাদেশ দল। তিনদিনের কোয়ারেন্টাইনের পর ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হয় অনুশীলন পর্ব।
এরপর ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। প্রায় একদিন পরপর ম্যাচের সূচি। মাঝের দিনগুলোতে রয়েছে অনুশীলনেরও সূচি। তবে সিরিজি শুরু হলে ম্যাচের দিন বাদে দলীয় অনুশীলনে খুব একটা মাঠে দেখা যাচ্ছে না মাহমুদউল্লাহদের।
বাংলাটিভি/ সাকিব



