
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে প্রথম বারের মতো উৎপাদিত হচ্ছে গলদা চিংড়ি পোনা। প্রচুর চাহিদা থাকায়, উপজেলার মিয়ার পোলে অবস্থিত সরকারী মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার কর্তৃপক্ষ, পোনা উৎপাদনের এই উদ্যোগ নেয়। তবে, উৎপাদন খরচ, বহন ও টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে, চাহিদা অনুযায়ী পোনা উৎপাদন করতে পারছেনা খামার কর্তৃপক্ষ। যে কোন প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন, উপজেলা চেয়ারম্যান।
এলাকায় চাহিদা থাকায়, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনী মিয়ার পুলে অবস্থিত সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার কর্তৃপক্ষ, বিগত ২০ বছর ধরে গলদা চিংড়ির পোনা উৎপাদনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বারবার প্রচেষ্টার পর, চলতি বছর প্রথম বারের মতো গলদা চিংড়ির পোনা উৎপাদনে সফল হয়। সংবেদনশীল চিংড়ি উৎপাদনের জন্য, কক্সবাজারের পেকুয়া থেকে লবণ পানি ও চিংড়ির মা মাছ আনা হয়, পিরোজপুরের কচা নদী থেকে।
মা মাছ উপযুক্ত পরিবেশে ডিম ছাড়লে, সেই ডিম ট্যাঙ্কে রাখা হয়। তাপমাত্রার ওপর ভিত্তি করে, ১১টি ধাপ পেড়িয়ে প্রায় ২২ থেকে ৩০ দিন পর ডিমগুলো বিক্রয় যোগ্য পোনায় পরিণত হয়।
সমস্যা কাটিয়ে গুনগত মান ঠিক রেখে, চাষিদের পোনা সরবরাহ করা গেলে, এ অঞ্চলে গলদা চাষে বিপ্লব ঘটবে বলে মনে করেন, সংশ্লিষ্টরা।
গলদা চিংড়ির পোনা উৎপাদনের স্বার্থে, যে কোন প্রয়োজনে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন, উপজেলা চেয়ারম্যান।মাছের পোনা উৎপাদনের লক্ষে, ১৯৬২ সালে সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারটি প্রতিষ্ঠা করে সরকার। বর্তমানে গলদা চিংড়ির পোনা ছাড়াও, এখানে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা উৎপাদন হচ্ছে।
ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/এস



