
দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। উত্তরাঞ্চলে, প্রায় সবগুলো নদীই বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। দু’কুল ছাপিয়ে প্লাবিত হয়েছে বহু নিচু এলাকা। বিভিন্নস্থানে ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে দিন কাটাচ্ছেন বাসিন্দারা।এদিকে,মধ্যাঞ্চলেও বেড়েছে নদীভাঙন।
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ৫০ সেন্টিমিটার ও ধরলার পানি ২৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় চিলমারী, উলিপুর, রৌমারী, রাজিবপুর ও সদর উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পানিবন্দি জীবন-যাপন করছে প্রায় ১ লাখ মানুষ। এদিকে সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন ইউনিয়নে বন্যার্তদের মাঝে নগদ অর্থ, চাল-ডালসহ শুকনো খাবার বিতরণ করছে।
গাইবান্ধায় উজান থেকে নেমে আসা ঢলে বিভিন্ন নদীর পানি বিপদসীমা ছাড়িয়ে বইছে। গত কয়েকদিনে বন্যায় জেলার সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের রাস্তাঘাট, ফসলী জমি তলিয়ে গেছে। প্রতিদিন প্লাবিত হচ্ছে, নতুন নতুন এলাকা।
জামালপুরের ইসলামপুরে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। উপজেলা ৬টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ঘর-বাড়ি তলিয়ে গেছে। বিভিন্ন সড়কে পানি ওঠায় যাতায়াতেও চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
সিরাজগঞ্জে অব্যাহত রয়েছে,যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি।একই সাথে বাড়ছে অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানিও।
মানিকগঞ্জে যমুনা নদীর পানি আরিচা পয়েন্টে গত ২৪ ঘন্টায় ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ইতোমধ্যেই হরিরামপুর,শিবালয়, ঘিওর ও দৌলতপুর উপজেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের ৫ শতাধিক পরিবার বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে।
এদিকে, পদ্মা নদীর পানি ফরিদপুর পয়েন্টে ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বিভিন্ন ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকাসহ নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বিভিন্নস্থানে দেখা দিয়েছে, নদীভাঙন।
ডেস্ক রিপোট/বাংলা টিভি/এস



