
উজানের ঢলে উত্তরের নদ-নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা, এতে দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা। এছাড়া পানিতে তলিয়ে নষ্ট হচ্ছে ফসলের ক্ষেত। এদিকে, বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। ঝুঁকিতে থাকা বসতবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন অনেকে।
কুড়িগ্রামের চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি এখনো বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপরে। এছাড়া তিস্তা নদীর পানি ঢুকে অনেকে এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বাড়িঘর তলিয়ে, এ অবস্থায় দুর্ভোগে পড়ছে হাজারো পরিবার।
এদিকে, সিরাজগঞ্জে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে, হার্ডপয়েন্ট এলাকায় বিপদসীমার ৩৩ এবং কাজিপুর মেঘাই ঘাট পয়েন্টে ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার রাণীগ্রাম ও গুণেরগাঁতী এবং খোকশাবাড়ির অধিকাংশ জায়গা প্লাবিত হয়েছে। অনেকেই বসতবাড়ি ছেড়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিতে শুরু করেছেন।
সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের ধ্বসে যাওয়া অংশে আপাতত সমস্যা নেই উল্লেখ করে, সার্বিক প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এদিকে, ফরিদপুরের সদরের বিভিন্ন ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। কয়েকদিন ধরে পদ্মার তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের, হাজারো মানুষ দুর্ভোগে রয়েছেন।
বাংলাটিভি/শহীদ



