মাওয়ার আড়তে বেড়েছে পদ্মার ইলিশের দাম

মাওয়ার আড়তে পদ্মার ইলিশের দাম বেড়েছে অনেকটাই, পদ্মার টাটকা মাছ আর ইলিশের জন্য মুন্সিগঞ্জের মাওয়া মৎস্য আড়ত ক্রেতাদের কাছে নির্ভরযোগ্য জায়গা।
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার মাছ বাজারে পদ্মার ইলিশ সরবরাহ হয়ে থাকে। প্রতিদিন ভোরে থেকেই মাছ কেনার জন্য মানুষ ছুটে আসে মাওয়া মৎস আড়তে। ভরা মৌসুমে পর্যাপ্ত পরিমাণ ইলিশ না পাওয়ায় ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী যোগান দিতে পারছেনা আড়ৎদারও মাছ ব্যবসায়ীরা। পদ্মার ইলিশের চাহিদা বেশি থাকায় বেড়েছে মাছের দামও। সরবরাহ কম থাকায় বেড়েছে মাছের দাম।
শুক্রবার (২৭ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর হতেই হরেক রকমের মাছের পসরা নিয়ে বসেছেন বিক্রতারা। ক্রেতা সমাগম বাড়তে থাকায় ধিরে ধিরে সরগরম হয়ে উঠে মাওয়া মৎস্য আড়ৎ। অন্যান্য মাছের চাইতে প্রধান আকর্ষণ ছিল ইলিশের। ভোর ৫টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। প্রতিটি আড়ৎতেই কমবেশি বিক্রি হয় ইলিশ। তবে বিক্রেতারা জানান, আড়তের অধিকাংশ ইলিশই মেঘনা আর চট্টগ্রামের পদ্মার ইলিশ সীমিত আকারে রয়েছে।
বিক্রেতারা জানান, অন্য বছরের চেয়ে এ বছর পদ্মার ইলিশ কম ফলে আড়তে সরবরাহ কমেছে। রাজধানী ঢাকাসহ থেকে পাইকার, ক্রেতারা আড়তে আসলেও পর্যাপ্ত যোগান না থাকায় সরবরাহ করা যাচ্ছে না দাম ও অনেক বেশি। পদ্মার ইলিশ কমের পাশাপাশি চাঁদপুরের মেঘনা ও চট্টগ্রাম থেকে এনে ইলিশ বিক্রি করতে হচ্ছে মাওয়া আড়ৎদারদের।
বর্তমানে এক কেজি ওজনের পদ্মার ইলিশ ১৮০০-১৯০০, মেঘনার ইলিশ এক হাজার থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে এক কেজির নিচের ইলিশ ১১০০-১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতা জানিয়েছেন , গতবারের চেয়ে এ বছর নদীতে মাছ কম। তবে পদ্মার ইলিশের দাম বেশি তাই এখন বেশিরভাগ চাঁদপুরের ইলিশই বিক্রি হচ্ছে, তারা আরও জানান, পদ্মার ইলিশ নেই, যা আসে সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি হয়ে যায়। এ সময় তো ইলিশের মৌসুম। ইলিশ দিয়ে আড়ৎ ভরে থাকারই কথা ছিল। মাছের চাইতে ক্রেতাই বেশি।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, পদ্মায় অমাবস্যা-পূর্ণিমা এবং জোয়ার-ভাটাকে কেন্দ্র করে নদীতে ইলিশ মাছ কমে এবং বাড়ে। আগামী অমাবস্যা-পূর্ণিমার পরই প্রচুর মাছ আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাটিভি/শহীদ



