
রাজধানীতে আবারো অস্থির হয়ে উঠেছে ভোজ্যতেলের বাজার। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে লিটারপ্রতি দাম বেড়েছে ৭ টাকা পর্যন্ত। তেলের অনাকাঙ্ক্ষিত মূল্যবৃদ্ধিতে ক্ষুব্ধ সাধারণ ক্রেতারা।
এদিকে, বাজারে বেড়েছে বিভিন্ন সবজির দামও। তবে গেল সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে, কাঁচামরিচের ঝাঁঝ।
চলতি বছরের শুরু থেকেই নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতাদের বেশ ভুগিয়েছে রান্নার অন্যতম অনুষঙ্গ ভোজ্যতেলের দাম। এ কয় মাসে, সয়াবিনের দাম দফায় দফায় বেড়ে লিটারপ্রতি অন্তত ৫০ টাকা বেশিতে ঠেকেছে। মাঝে কিছুটা কমলেও, চলতি সপ্তাহে আবারো লিটারে ৭ টাকা বেড়েছে।
তেলের দাম কেনে বার বার বাড়ছে কিছুই জানেন না বিক্রেতারা। বলছেন আগামীতে আরও বাড়তে পারে এই পণ্যটির দাম।
বাজারে এসেছে শীতের আগাম সবজি- ফুলকপি, বাধাকপি, সিম মুলাসহ বেশ কয়েকটি সবজি। তবে দাম বেশ চড়া। বাকি সবজি বিক্রি হচ্ছে গত সপ্তাহের দামেই।
বাজারে প্রতিকেজি (গোল) বেগুন ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৫০ থেকে ৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, ইন্ডিয়ান টমেটো ১০০ টাকা, সিম ১২০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা। চাল কুমড়া প্রতি পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, লতি ৮০ টাকা ও কাকরোল ৮০ থেকে ৬০ টাকা।
বাজারে প্রতিকেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ টাকা কেজি। পাঁচ টাকা দাম কমে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। যা গত সপ্তাহেও প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা দরে। কাঁচাকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। পেঁপে প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়।
এছাড়া শুকনা মরিচ প্রতিকেজি ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, রসুনের কেজি ৮০ থেকে ১৩০ টাকা, আদার দাম ২০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। প্রতিকেজি হলুদ ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইন্ডিয়ান ডালের দাম পাঁচ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়। গত সপ্তাহে ইন্ডিয়ান ডালের প্রতিকেজি দাম ছিল ৮০ টাকা।
এসব বাজারে প্রতিকেজি চিনির দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। গত সপ্তাহে প্রতিকেজি চিনির খুচরা মূল্য ছিল ৭৮ থেকে ৮০ টাকা। এছাড়া প্যাকেট চিনি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়।
বাজারে পাঁচ টাকা দাম বেড়ে প্রতি ডজন লাল ডিম ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। হাঁসের ডিমের দাম ২০ টাকা বেড়ে ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। সোনালী (কক) মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। দেশি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা।
মুরগির দাম কেজিপ্রতিতে বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। প্রতি কেজি সোনালি (কক) মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২৫ থেকে ২৩৫ টাকায়। লেয়ার মুরগি কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ টাকা। প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২২৫ থেকে ২৩৫ টাকা।
বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়ার পরেও, এখনো দাম কমেনি। এখনো বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন সাইজের ইলিশ।
এদিকে, চালের বাজার গত সপ্তাহের মতো স্থিতিশীল রয়েছে।
বাংলাটিভি/বুলবুল/নিহান



