
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার শরিফগঞ্জ ইউনিয়নে কুশিয়ারা নদীর ভাঙন দেখা দিয়েছে। অব্যাহত ভাঙনে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে ঘরবাড়ি, মসজিদ, রাস্তাঘাট ও বাজারের দোকানঘর। হুমকিতে রয়েছে প্রাচীন একটি বিদ্যাপিঠ। তীরবর্তী মানুষ ভাঙনের শঙ্কা নিয়ে দিনযাপন করছেন। এ বিষয়ে বারবার দাবি জানিয়েও কোনো সুরাহা পাচ্ছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা।
একদিকে সিলেটের খরস্রোতা কুশিয়ারা,অন্যদিকে হাকালুকি হাওর। অনেকটা দীপের মতো জায়গাজুড়ে শরিফগঞ্জ ইউনিয়ন। অবহেলিত শরিফগঞ্জের অন্যতম সমস্যা নদী ভাঙন। প্রতিদিনের ঢেউয়ে ভাঙছে নদীর পাড়। হুমকির মুখে পড়েছে তীরের এই বাড়িগুলো। এটি মেহেরপুর বাজারের যাত্রী ছাউনি। পাশের দোকানঘর নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে।
পনাইরচক উচ্চ বিদ্যালয়টি এই এলাকার মানুষের কাছে আলোকবর্তিকা। বিদ্যালয়টির দেয়াল ভেঙে পড়েছে। এর আগে একটি রাস্তা চলে গেছে নদীগর্ভে। স্কুলের পাশেই একটি মসজিদ ছিল। ভাঙনের কারণে এটি এখন পরিত্যক্ত। নতুন মসজিদটিও হুমকির মুখে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে,নদী ভাঙন রক্ষা প্রকল্পের তালিকায় শরিফগঞ্জ ইউনিয়ন নেই। আবেদন করলে তালিকাভুক্ত করা হবে।কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নজরে আনবেন বলে জানালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
মেহেরপুরবাজার, পনাইরচক উচ্চ বিদ্যালয়সহ এই বাড়িগুলো রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড এগিয়ে আসবে-এমনটিই আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বাংলাটিভি/ এস



