
কুয়াকাটা সৈকতে একের পর এক ভেসে আসছে মৃত ডলফিন, তিমিসহ নানা সামুদ্রিক প্রানী। গত দু’বছর ধরে নিরীহ মৃত জলজ প্রানী ভেসে আসায়,উদ্বিগ্ন পরিবেশবাদীসহ জীববৈচিত্র গবেষকরা। আইনী জটিলতায় এসব মৃত প্রানীর কংকাল সংরক্ষন বা ব্যবহার করা যাচ্ছেনা,গবেষনার কাজেও। ফলে, দেয়া হচ্ছে মাটি চাপা।
২০২০ সাল থেকে কুয়াকাটা সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে ক্লামবার্ড, পারকায়েস,শুশুকসহ বেশ কয়েক প্রজাতির প্রায় ২০টি মৃত ডলফিন ভেসে আসে। এছাড়াও, ৪৫ ফুট লম্বা বেলিন প্রজাতির ২টি মৃত তিমি এবং শরীরে আঘাত নিয়ে সৈকতে জীবিত ভেসে আসে, বিরল প্রজাতির কচ্ছপ। মুখে জাল জড়ানো এবং শরীরে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে, এসব প্রানী সৈকতে ভেসে আসায়, উদ্বিগ্ন জীববৈচিত্র গবেষকরা।
ধারনা করা হচ্ছে,সমুদ্রে জেলেদের জালে আটকে, কিংবা জলযানের প্রপেলারের আঘাতে, এসব প্রানী মারা গেছে। সামুদ্রিক পরিবেশের ভারসাম্যসহ, জীববৈচিত্র রক্ষায় জেলেদের সচেতনায়, সামাজিক উদ্যোগ নেয়ার দাবী পর্যটক ও ব্যবসায়ীসহ কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির।
জালে আটক প্রাণীকে আঘাত না করে, দ্রুত জীবিত অবমুক্তসহ পানির দুষনরোধ,ছেড়া জাল ব্যবহার বন্ধের মাধ্যমে এসব রক্ষা করতে না পারলে, বড় ধরনের হুমকিতে পড়বে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র।
জেলেসহ স্থানীয়দের সমুদ্রের জলজ সম্পদ সংরক্ষনে প্রচার-প্রচারনা, প্রশিক্ষণ,উদ্বুদ্ধকরনে উদ্যোগ নেয়ার কথা জানান,জেলা মৎস্য কর্মকর্তা।
সৈকতে ভেসে আসা মৃত প্রাণীদের সংরক্ষন,গবেষনা এবং কৃয়াকাটায় আসা পর্যটকদের প্রদর্শনের জন্য যাদুঘর র্নিমাণের উদ্যোগের কথা জানান,বন কর্মকর্তা। পরিবেশ বান্ধব সামুদ্রিক প্রানী সংরক্ষনে সরকারী উদ্যোগের দাবী এলাকাবাসীসহ সচেতন মহলের।
ডেস্ক রিপোর্ট/বাংলা টিভি/এস



