কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের চাষীরা কচু চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের নারিকেলী জাতের কচু চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন চাষীরা। পুষ্টিকর ও নিরাপদ উৎপাদন এবং ধানের চেয়ে চারগুনের বেশি লাভজনক হওয়ায়, কচু চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষকরা। ফলে, দিনদিন বেড়েই চলেছে এর আবাদ। আর স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ কচু রপ্তানি করা হচ্ছে।
কিশোরগঞ্জ জেলার মধ্যে কুলিয়ারচর উপজেলা কচুর জন্য বিখ্যাত।প্রায় ৫০ বছর ধরে কচু চাষ করে যাচ্ছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। এখানকার চাষিরা সাধারনত নারিকেলী কচু এবং সাদা কচুর আবাদ করেন। তবে, নারকেলী কচুর চাহিদা ও বাজারমূল্য বেশি থাকায়, এর আবাদে আগ্রহী বেশি।
এই উপজেলার রামদি,সালুয়া, গোবরিয়া ও আব্দুল্লাপুর ইউনিয়নের বেশির ভাগ কৃষক, এ জাতের কচু চাষ করে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন। পাশাপাশি এ অঞ্চলের শ্রমিকরা কচুর চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এখানকার নারিকেলী জাতের কচু দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে রফ্তানী হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।
নারিকেলী ও সাদা কচুর আবাদ আরও বাড়াতে উন্নত প্রযুক্তির সহায়তা দেয়া হচ্ছে কৃষি বিভাগ থেকে।এ উপজেলায় ২০২০-২১ অর্থবছরে ২৭০ হেষ্টর জমিতে ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিকটন কচুর উৎপাদন হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/এস



