
পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পাট পঁচাতে পারছেন না শেরপুর ও দিনাজপুরের কৃষকরা; ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিয়েও শংকায় চাষীরা
পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পাট পঁচাতে পারছেন না শেরপুর ও দিনাজপুরের কৃষকরা। এতে পাট কাটতে ও সময়মত আমন ধানের চারা রোপন করতে না পারায় বিপাকে পড়েছেন তারা। পাশাপাশি ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিয়েও শংকায় চাষীরা।
শেরপুর জেলার পাঁচটি উপজেলার মধ্যে শেরপুর সদর,নকলা ও শ্রীবরদী উপজেলার চরাঞ্চলে পাট চাষ হয়ে থাকে। বাকী দুটি উপজেলা ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী পাহাড়ী এলাকা হওয়ায় পাট চাষ হয়না।
জেলার অন্যান্য উপজেলায় প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত না হওয়ায়, নদী-নালা,খাল-বিলে নেই পানি। ফলে, পাট পচানোর জন্য জাগ দিতে পারছে না চাষিরা। আবার অনেক চাষি বাধ্য হয়ে শ্যালো মেশিন ও মোটরের পানি দিয়ে পাট জাঁগ দিতে গিয়ে, বাড়তি খরচ গুনছেন। আবাদ ভালো হলেও পাট পচাতে সমস্যা হচ্ছে বলে জানান, কৃষি কর্মকর্তা।
দিনাজপুরের বিরল উপজেলার নওপাড়া গ্রামের কৃষক, দিলীপ কুমার রায়। গতবছর অল্প জমিতে পাটের আবাদ করে বাজারে ভালো দাম পাওয়ায়, এবার পরিমান বাড়িয়ে দুই বিঘা জমিতে পাটের আবাদ করেছেন তিনি।
কিন্তু পাট পচানোর জন্য খাল-বিলে প্রয়োজনীয় পানি না থাকায়, জমিতে পরিপক্ক হলেও কাটতে পারছেন না। শুধু দিলীপ কুমার নয়,এই অবস্থা জেলার অন্যান্য পাটচাষীদেরও।
বৃষ্টির অভাবে খাল-বিলে পানি না থাকায় পাট পচানো নিয়ে চাষীদের সমস্যার কথা জানালেন, কৃষি বিভাগের এ কর্মকর্তা।জেলায় গতবছর ৩ হাজার ৯৩৬ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ হলেও, এবার আবাদ হয়েছে ৪ হাজার ৪২৬ হেক্টর জমিতে।
ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/এস



