
ট্যানারী মালিকদের কাছে পুঁজি আটকে থাকায়, নওগাঁয় কোরবানী ঈদে গবাদিপশুর চামড়া কেনা নিয়ে আবারও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন, চামড়া ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘদিন পুঁজি আটকে থাকায়,চামড়া ব্যবসায়ীরা মূলধন হারিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন।এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে, জেলা পর্যায়ের প্রকৃত চামড়া ব্যবসায়ীদের ওয়েট ব্লু চামড়া রপ্তানির সুযোগ উন্মুক্ত কোরে দিতে,সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
প্রতিবছর ঈদুল আজহায় নওগাঁয় ২ লাখেরও বেশি গবাদিপশু কোরবানি দেয়া হয়। এবছর জেলায় কোরবানির জন্য ৩ লক্ষ ৮০ হাজার ৪৯১টি গবাদি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৪৭৭টি গরু ও বাকি ২ লক্ষ ১৩ হাজার ১৪টি অন্যান্য গবাদিপশু রয়েছে। জেলায় এবছর প্রায় ৩ লাখ গবাদিপশু কোরবানি দেয়া হবে, বলছে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর। জেলায় প্রতি বছর কোরবানি মৌসুমে প্রায় ৪ কোটি টাকার চামড়া কিনে নেন ব্যবসায়ীরা।তবে, এবার প্রকৃত চামড়া ব্যবসায়ীদের প্রায় সবাই মূলধন হারিয়ে অভাবে পড়েছেন।
কেউ কেউ এই পেশা ছেড়ে অন্যান্য পেশা বেছে নিয়েছেন। ট্যানারি মালিকদের কাছে টাকার তাগাদা দিয়েও পাচ্ছেন না তারা।ফলে কোরবানির ঈদের চামড়া কেনা নিয়ে শঙ্কায় আছেন,জেলার চামড়া ব্যবসায়ীরা।
ওয়েট ব্লু চামড়া রপ্তানির সুযোগ সকল চামড়া ব্যবসায়ীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হলে, চামড়া কেনা-বেচায় গতি আসবে বলে মনে করেন জেলা চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপ। বকেয়া টাকা পেলে লবন কিনে চামড়া কেনার প্রস্তুতি নেয়ার কথা জানান জেলা চামড়া ব্যবসায়ী গ্রপের সভাপতি
বাংলাটিভি/ এস



