
দেশের মাটিতে প্রথম বিদেশী ফল আনার চাষে সফলতা পেয়েছেন, চুয়াডাঙ্গার এক তরুন উদ্যোক্তা। ফলন ও লাভ ভালো হওয়ায়, জেলার অনেক বেকার যুবকরাই এখন ঝুঁকছে সুস্বাদু ও ঔষধী গুণ সম্পন্ন বিদেশী এ ফল চাষে। কৃষি বিভাগ বলছে, চাষিদের প্রযুক্তিগতসহ সব ধরণের সহযোগিতা করা হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলায় ইতোমধ্যেই বিভিন্ন দেশী-বিদেশী ফলের চাষ সারাদেশে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মাত্র ৮ মাস আগে জীবননগর উপজেলার রায়পুর গ্রামে আড়াই বিঘা জমিতে, ২৬০টি চারা রোপনের মাধ্যমে তরুন উদ্যোক্তা সাদ্দাম হোসেন, আনার বাগান শুরু করেন। এ বাগান করতে তার মোট খরচ হয়েছে ১লাখ ৫০ হাজার টাকা। চলতি বছরে এখান থেকে, ২ লাখ ষাট হাজার টাকা আয় করবেন বলে জানান তিনি।
শুধু তাই নয়, এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে, প্রায় ৩০ জন বেকার যুবকের। এখান থেকে কাজ করে সংসার চালানোর পাশাপাশি, এরকম বাগান করার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে তাদের।
মাটি এবং আবহাওয়া অনুকুলে থাকায়, আনারের ভাল ফলন সম্ভব বলে মনে করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। জেলার কৃষি অফিসের হিসেব মতে, চুয়াডাঙ্গায় বানিজ্যিকভাবে সাড়ে ৫ বিঘা জমিতে আনারের চাষ শুরু হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/ এস



