
দেশে আবারো উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে, মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাব। গত কয়েকদিন ধরেই মৃত্যুর তালিকার পাশাপাশি, যেন হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণের সংখ্যা। কোভিড বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটিও, এরইমধ্যে পুরো দেশ কিছুদিন শাটডাউনে রাখার সুপারিশ করেছে। সবখানে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লেও, দৈনন্দিন চলাফেরায় এ নিয়ে যেন কোন মাথাব্যাথাই নেই মানুষের। কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে, আগামীতে পরিস্থিতি সামাল দেয়া কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।
গত কয়েকদিন ধরেই আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ। ভারতীয় ডেল্টা ভ্যরিয়েন্টের পর দেশে সেটির মিউটেশন ঘটায়, নতুন নতুন রুপে দ্রুত ছড়াচ্ছে ভাইরাসটি।
সারাদেশে যখন অধিক সংখ্যা মানুষ দ্রুত সংক্রমিত হচ্ছে, ঠিক সেই সময়েও রাজধানীর বেশিরভাগ জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেই চলছে সাধারণ মানুষ। জানতে চাইলে তাদের নানান অজুহাত।
মহামারি ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে এরইমধ্যে সারাদেশে ১৪ দিনের শাটডাউনের সুপারিশ করেছে জাতীয় পরামর্শক কমিটি। এ নিয়ে অবশ্য জীবিকার দুশ্চিন্তায় পড়েছেন নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।
তবে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায়, আপাতত কিছুদিনের জন্য শাটডাউনের মতো কঠোর পরিকল্পনাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন সচেতন নাগরিকরা।
করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী প্রকোপের এই সময়ে মানুষজন এখনি সচেতন না হলে, সামনের দিনগুলোতে আরো ভয়াবহ পরিস্থিতি হতে পারে বলে আশংকা করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
মহামারি মোকাবেলায় শুধু সরকারি নির্দেশনাই নয়, জনগণকেও নিজের ও পরিবারের জন্য দায়িত্ববান হয়ে সতর্কতা মেনে চলার আহবান বিশেষজ্ঞদের।
বাংলাটিভি/এস



