বরিশালে পানের বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি

বরিশালে এবার পানের বাম্পার ফলন হয়েছে।এখানকার পান খেতে সুস্বাদু এবং আকারে বড় হওয়ায় শুধু স্থানীয় পর্যায়ে নয়,এ পানের চাহিদা রয়েছে অন্যান্য জেলাসহ দেশের বাইরেও।অন্যদিকে করোনার কারনে দীর্ঘদিন রপ্তানী বন্ধ থাকার পর আবারো বিদেশে পান রপ্তানী শুরু হওয়ায় হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে।
বরিশালের প্রতিটি উপজেলায় দেখা যায়,পানের বরজের নজরকাড়া দৃশ্য।পান চাষ একটি দীর্ঘমেয়াদী লাভজনক ফসল।একবার পানের বরজে কাজ করলে, ১০ থেকে ১২ বছর পর্যন্ত বরজে কাজ করতে হয়না।তুলনামূলকভাবে অন্যান্য ফসলের চেয়ে রাসায়নিক সারের ব্যবহারও কম।দেশীয় পদ্ধতিতে পান চাষে প্রথমে ডাল সংগ্রহ কোরে রোপণ করতে হয়।৩ থেকে ৪ মাস পর,ডাল থেকে সবুজ লতা বের হয়ে ছেয়ে যায়।এরপর শুরু হয় চাষিদের পান সংগ্রহ।
এক বিঘা জমিতে পান চাষ কোরে প্রতিবছর ২ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব বলে জানান,চাষিরা।জেলায় চাইলতা বুলটি,মহানলী,চেরফুলী নামে ৩ ধরনের পান উৎপাদন হয়ে থাকে।এবার ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় খুশি কৃষকরা।
বিষমুক্ত ফলনে সঠিক পরামর্শ দেয়ায়,পানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে দাবী,এই কৃষিবিদের। বরিশালে ২০২০-২১ অর্থ বছরে,২ হাজার ৯৩১ হেক্টর জমিতে পানের আবাদে ফলন হয়েছে, ৬ দশমিক ৯০ মেট্রিক টন এবং মোট উৎপাদন হয়েছে ২০ হাজার ২২৪ মেট্রিক টন।
বাংলাটিভি/এস



