
দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে,ঢাকা আশপাশের সাত জেলার লকডাউন। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে কর্মজীবী মানুষের। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে অনীহা জনগণের। আর লকডাউন বাস্তবায়নে প্রশাসনকে আরো কঠোর হওয়া উচিত বলে মনে করেন অনেকে। এদিকে, খুলনা ৩২ ও রাজশাহীতে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গাজীপুরে কঠোর লকডাউনের ২য় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ী ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় সকাল থেকে কোন প্রকার দুরপাল্লার যাত্রিবাহি যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। মহাসড়কে কয়েকটি স্থানে পুলিশের তৎপরতায় জেলায় কোন যানবাহন ঢুকতে পারছে না।
নারায়ণগঞ্জে গণপরিবহনসহ বন্ধ রয়েছে দোকানপাট। পাশাপাশি শীতলক্ষা, বুড়িগঙ্গায় নারায়ণগঞ্জ সীমানায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও মহাসড়কে সকল প্রকার দূরপাল্লার যান চলাচলে কঠোর অবস্থানে রয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।
মুন্সীগঞ্জে প্রতিদিনের মতো আজও যাত্রীবাহী ইজিবাইক ও যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। অনেককেই দেখা যায়নি মাস্ক পরতে। মুন্সীগঞ্জ-নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা রুটের মুক্তারপুরে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
মানিকগঞ্জে ঢিলেঢালা ভাবে চলছে লকডাউন। যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ থাকলেও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে পিকআপ ভ্যান,অটোরিকশা, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস চলাচল করতে দেখা গেছে।
মাদারীপুরে আন্তজেলা ও দূরপাল্লার সকল বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। সকাল থেকেই জেলার নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকান ছাড়া প্রায় সকল ধরনের দোকান বন্ধ রয়েছে।
করোনার সংক্রমণরোধে গোপালগঞ্জে দ্বিতীয় দিনের সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। সকাল থেকেও জেলা ও উপজেলা শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা লকডাউন কার্যকর করছেন।
নরসিংদী-নারায়নগঞ্জ সীমান্তবর্তী স্থান পুরিন্দা এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো যানচলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে নরসিংদীর ইটাখোলা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি।
এদিকে, খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘন্টায় ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় খুলনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ৫৬৪ জনের নমুনা পরিক্ষা করা হয়। তার মধ্যে ২২৪ জনের করোনা পজেটিভ এসেছে।
২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মেডিক্যালের করোনা ওয়ার্ডে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের নয়জন করোনায় এবং সাতজন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।
বাংলা টিভি/ এস



