পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না পেলেও নির্দিষ্ট সময়ের পর কাজ শুরুর নির্দেশ

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ছাড়পত্র দিতে ব্যর্থ হলে, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই প্রকল্পের কাজ শুরু করার অনুশাসন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দুপুরে, রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি- একনেক সভায় তিনি এই নির্দেশ দেন।
একনেক চেয়ারপার্সন প্রধানমনন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। এতে মন্ত্রপরিষদের সদস্য, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। একনেক সভায় ৫ হাজার ২৩৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি জানান, অনুমোদিত ৯টি প্রকল্পের মধ্যে ৬টি নতুন ও ৩টি সংশোধিত।
মান্নান বলেন,প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় অনেক ক্ষেত্রে গাছপালা কাটতে হয়, তখন পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের প্রয়োজন হয়। প্রকল্প বাস্তবায়ন কেন দেরি হয় এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলে অনেক বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পেতে দেরি হয়, তাই আমাদেরও প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি হয়।
তখন প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা অল্প দেরি হতে পারে। ছাড়পত্রের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে সুনির্দিষ্ট সময়ের জন্য উল্লেখ করে ছাড়পত্রের (অনুমোদনের) জন্য যাবে। এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি তারা ছাড়পত্র বা কোনো মন্তব্য না দেয়, তাহলে ধরে নেওয়া হবে তাদের কোনো আপত্তি নেই। তাদের জন্য আর অপেক্ষা করব না।
প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনাকে ‘মেজর সিদ্ধান্ত’ উল্লেখ করে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এটাকে আমরা প্রক্রিয়াজাত করব, আইনি পর্যায়ে নিয়ে আসব।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বিষয়টি স্পষ্ট করতে গিয়ে তিনি বলেন,পরিবেশ অধিদপ্তর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না দিলে মৌনতা সম্মতির লক্ষণ হিসেবে ধরে নিয়ে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিতে পারবে।
পরিকল্পনামন্ত্রী একই সঙ্গে বলেন,তবে প্রধানমন্ত্রী এসময় আবারও বলেছেন, গাছ কাটতে হলে গাছ লাগাতে হবে। যে কয়টা গাছ কাটতে হয়, সে কয়টা গাছ লাগাতে হবে।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী বর্ষাকালে হাওর এলাকার পানি ব্যবস্থাপনার সময় ছোট ছোট খাল বাঁচিয়ে রাখতে সাবধানতা অবলম্বনের নির্দেশও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাটিভি/এস



