
স্বাধীনতা পরবর্তী সকল রেকর্ড ভেঙ্গে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ এখন প্রায় ৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, রিজার্ভের এমন অবস্থায় ইতিবাচক ভুমিকা রয়েছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স।বিশ্লেষকবা বলছেন,সার্বিক দিক বিবেচনায় প্রবাসীদের এখনো সেভাবে মুল্যায়ন করা হয়নি। অন্যদিকে, বায়রা বলছে সরকার ও রিক্রুটিং এজেন্সির সম্পর্কের ঘাটতির কারণে, প্রকৃত তথ্য পায়না প্রবাসীরা,যার মাশুল গুনতে হচ্ছে তাদের।
বাংলাদেশ ব্যাংকে ২০০৯-১০ অর্থবছরের রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ১০.৭৫ বিলিয়ন ডলার।২০১৩-১৪ অর্থবছর শেষে,সেই রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। ৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে,২০২০ সালের অক্টোবরে।বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ ছাড়িয়েছে,৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বিশ্লেষকরা বলেছেন, রিজার্ভের এমন উর্ধ্বগতিতে সবথেকে বেশি প্রশংসার দাবি রাখেন প্রবাসীরা।যাদের জন্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আজ উর্ধ্বমুখী,ভাল নেই সেসব প্রবাসীরা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে,রিজার্ভের এমন ইতিবাচক সাফল্যে সবথেকে বড় ভুমিকার দাবি রাখেন প্রবাসীরা।
দেশের জিডিপিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায়,প্রবাসীদের বিষয়ে সরকারের আরও মনোযোগী হওয়ার তাগিদ,অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের। বায়রা বলছে,সরকার ও রিক্রুটিং এজেন্সির সম্পর্কের ঘাটতি থাকায়,তার মাশুল গুনতে হচ্ছে প্রবাসীদের।
সরকারীভাবে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রবাসীদের সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা হলেও,তা প্রয়োজনের সাথে তাল মেলানোর জন্য যথেষ্ট নয়। তাই প্রবাসীদের সমস্যা সুস্পষ্টভাবে নিরুপণ করে, তা দ্রুত সমাধানের আহবান জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
বাংলাটিভি/এস



