
ধু ধু বালুচরে কখনও ফসল ফলবে তা কল্পনাতেই ছিলনা লালমনিরহাটের চরাঞ্চলের কৃষকদের। কিন্তু এখন তারা তিস্তার মরুময় চরাঞ্চলে ভুট্টা চাষের মাধ্যমে ঘটিয়েছে সবুজ বিপ্লব। আর এ বিপ্লবের মাধ্যমেই পাল্টে যাচ্ছে তাদের জীবনযাত্রার মান। শুধু চরাঞ্চলেই নয় এখন জেলায় অর্থকারী ফসলের তালিকায় ইতোমধ্যে প্রথম স্থান দখল করেছে ভুট্ট। তবে এ অঞ্চলে সরকারী ভুট্টা ক্রয় কেন্দ্র না থাকায় ন্যায্য মুল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন চাষিরা।
তিস্তার দু’তীরে একসময় দেখা যেত শুধুই রাশি রাশি বালু,সেখানে ফসল ফলানো ছিল কল্পনা। নদীতে ভিটে-বাড়ীসহ ফসলি জমি হারানো মানুষের দুঃখ কষ্ট ছিল নিত্য দিনের সঙ্গী। চরের জমিতে ফসল ফলাতে না পেরে, তারা পরিবার পরিজন নিয়ে অনাহারে অর্ধহারে কাটিয়েছে দিনের পর দিন। কিন্তু সেখানে আজ সবুজের সমাহার,ভুট্টা ক্ষেতে ছেয়ে গেছে বিস্তির্ণ চরাঞ্চল। অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাভজনক হওয়ায়, শুধু চরাঞ্চলেই নয়, লালমনিরহাটের সর্বত্র এখন চাষ হচ্ছে এই ভুট্টা।
ভুট্টা চাষের মাধ্যমে পাল্টে যাচ্ছে এ জেলার মানুষের জীবনযাত্রা। তবে, চাষিদের দাবী, এখানে সরকারীভাবে ভুট্টা ক্রয় কেন্দ্র চালু করা হলে, তারা পাবেন ন্যায্য মুল্য । ভুট্টা চাষে কৃষকদের সার্বিক পরার্মশ দেয়া হচ্ছে বলে দাবী করেছেন জেলা কৃষি কর্মকর্তা। চলতি মৌসুমে জেলায় চরাঞ্চলসহ, ৪০ হাজার ৪শ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি।



