
দেশে করোনা শনাক্তের এক বছর আজ (৮ মার্চ)। বিশ্ব সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়া মহামারী ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হয়ে, বাংলাদেশে প্রথম কেউ শনাক্ত হন গত বছরের ৮ মার্চ। এরপর ভয়াবহ একটি বছর জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে করোনা।
প্রথমদিকে ভাইরাসটি নিয়ে উৎকন্ঠা, উদ্বেগ, সঠিক তথ্য না থাকা, গুজব, সবমিলিয়ে দিশেহারা অবস্থা থাকলেও বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে করোনাকে অনেকটাই প্রতিরোধ করতে পেরেছে বাংলাদেশ। মানুষের মাঝে বেড়েছে স্বাস্থ্যবিধি মানার সচেতনতা, পরবর্তীতে ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হওয়ায় কেটেছে শঙ্কা। বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, করোনা নির্মূলে সবাইকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার কথা।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশ থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসটি রুপ নেয় বিশ্ব মহামারিতে। সংক্রমিত হয়ে পাল্টে যেতে থাকে গোটা পৃথিবীর চালচিত্র। অদৃশ্য এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে থাকে প্রায় সব দেশ।
বাংলাদেশে ভাইরাসটির প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। এদিন ৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস অস্তিত্ব পাওয়া যায়। সংক্রমণরোধে পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে দেয়া হয় সকল কর্মস্থল। কেবল স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে করনীয় হয়ে উঠে হাত ধোয়া, মাস্ক পরা এবং শারিরীক দূরত্ব মেনে চলা।
পরবর্তী সময়ে, সারাবিশ্বে করোনার ভয়াবহতা দৃশ্যমান হয়। অনেক উন্নত দেশ উলট-পালট করে দিলেও বাংলাদেশে তুলনামূলক অনেকটায় নিয়ন্ত্রন করা গেছে ভাইরাসটির সংক্রমণ। ৮ মার্চ ২০২০ থেকে, এ পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৫ লাখ। এরমধ্যে মারা গেছেন প্রায় সাড়ে ৮ হাজার রোগি, আর সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখের বেশি মানুষ।
করোনা মোকাবেলায় ইতোমধ্যে দেশে ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হওয়ায় শঙ্কা কেটেছে। এছাড়া মানুষের মাঝেও বেড়েছে সচেতনতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা নির্মূল করতে প্রয়োজন সবাইকে ভ্যাক্সিনের আওতায় নিয়ে আসা।
আগামীতে সুস্থ পৃথিবীর করোনামুক্ত বাতাসের বুকভরে নিশ্বাংস নেয়ার প্রত্যাশা সাদারঙ মানুষের।
বুলবুল আহমেদ, বাংলা টিভি



