Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
অর্থনীতিঅন্যান্যআওয়ামী লীগবাংলাদেশ

দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ

৫০ বছর আগে বিশ্ব মানচিত্রে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি আখ্যা পাওয়া বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।  জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কৃষি জমি কমতে থাকা এবং বন্যা-খরার মত বৈরী প্রকৃতিতেও খাদ্যশস্য উৎপাদনে দেশ এখন বিশ্বের উদাহরণ।  এমনকি, দেশের চাহিদা মিটিয়ে কিছু খাদ্য রপ্তানিও হচ্ছে।  সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কৃষিবান্ধব নেতৃত্বের কারণেই  এটি সম্ভব হয়েছে।
সদ্য স্বাধীন দেশটিকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার কাজে হাত নিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।  নিজের দূরদৃষ্টিতে দেশের কৃষি ভূমিকে তিনি দেখেছিলেন সম্ভাবনার আধার হিসেবে।  বিশেষ করে কৃষি ও কৃষকের চোখে কীভাবে স্বপ্নের বীজ বোনা যায়, সেই চিন্তাটি ছিল তার অগ্রাধিকারে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নগুলো সামনে নিয়েই চলতে শুরু করে বর্তমান সরকার।  কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় বাংলাদেশের সাফল্য সারা বিশ্বেই এখন দৃষ্টান্তমূলক।  খাদ্যশস্য উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের স্থান এখন দশম।  ধান উৎপাদনে চতুর্থ, সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, আলু উৎপাদনে সপ্তম, আম উৎপাদনে সপ্তম এবং পেয়ারায় অষ্টম।  মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ইলিশে প্রথম, মুক্ত জলাশয়ে তৃতীয়, তেলাপিয়ায় চতুর্থ, বদ্ধ জলাশয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।  সব ক্ষেত্রে উৎপাদন ব্যবস্থা বৃদ্ধি পাওয়ার মধ্য দিয়ে দেশীয় কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির গতি যেমন বেড়েছে, একইভাবে পাল্টে গেছে গ্রামীণ জীবন ব্যবস্থা।

২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের সময় খাদ্যঘাটতি ছিল ২৬ লাখ মেট্রিক টন। ২০১৩ সালে তা কাটিয়ে, খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত হয় বাংলাদেশ। কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিতেও কাজ করছে সরকার।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দেরিতে হলেও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের পথ ধরে বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির কাঠামো ও ব্যবস্থাপনায় প্রাণ সঞ্চারিত হয়েছে।  অতীতের তলাবিহীন ঝুড়ি এখন শক্ত ভিত্তির উদ্বৃত্ত খাদ্যের বাংলাদেশ-  যা এ দেশের মানুষের এক অসামান্য অর্জন।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button