
অগণিত মানুষের শ্রদ্ধা-ভালোবাসা আর রাষ্ট্রীয় সম্মানে শেষ বিদায় নিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হোসেন তৌফিক ইমাম। সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
এর আগে বিশিষ্ট এই রাজনীতিবিদকে শেষ শ্রদ্ধা জানান, বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারা বলেন, প্রবীণ এই রাজনীতিকের চলে যাওয়া দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
দুপুর পৌনে ১২টার দিকে, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় প্রবীণ রাজনীতিবিদ এইচ টি ইমামের মরদেহ। সেখানেই সরকারি আকবর আলী কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম জানাজা। এতে অংশ নেন এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এর আগে, সর্বস্তরের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ নিয়ে আসা হয় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। প্রথমেই রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম বীরপ্রতীক এইচ টি ইমামের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী।
এরপর গুণী এই রাজনীতিবিদের মরদেহে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয় বলে জানান, শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা রাজনৈতিক নেতারা।
এইচ টি ইমামের চলে যাওয়া শুধু আওয়ামী লীগ নয়, দেশের রাজনীতির জন্যও অপূরণীয় ক্ষতি বলে জানান বিশিষ্টজনেরা। আর বাবার স্মৃতিচারণ করে সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন ছেলে তানভীর ইমাম এমপি।
এরপর প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় দীর্ঘদিনের স্মৃতি বিজড়িত গুলশান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে। সেখানেই অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় জানাজা। বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় বনানী কবরস্থানে। সেখানে গার্ড অব অনার দেয় বাংলাদেশ পুলিশের একটি চৌকশ দল।
মাগরিবের নামাজের কিছু আগে বনানী কবরস্থানেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় প্রবীণ এই রাজনীতিবিদকে।
বুলবুল আহমেদ, বাংলা টিভি



