
করোনার ভ্যাকসিনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে শুরুতে কিছুটা আতংক থাকলেও তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে প্রায় ২৫ লাখ মানুষের শরীরে ভ্যাকসিনের প্রয়োগ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। যারা ভ্যাকসিন নিয়েছেন তাদের বেশিরভাগ মানুষই রয়েছেন সুস্থ এবং স্বাভাবিক। করোনার টিকা প্রদান ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্টি জানিয়ে এই কর্মসূচি সফল করতে প্রান্তিক মানুষদের ভ্যাকসিন কর্মসুচির আওতায় নিয়ে আসার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
করোনা মোকাবেলায় গেল ২৫ জানুয়ারি ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন নিয়ে আসে বাংলাদেশ। ৮ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে সারা দেশে শুরু হয় টিকাদান কার্যক্রম। তবে প্রথম দিকে টিকা নিয়ে কিছুটা ভীতি কাজ করায় ভ্যাকসিন নেয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের মাঝে আগ্রহ কম ছিল ।
তবে সময়ের সাথে সাথে সেই ভয় কাটতে শুরু করেছে।ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে টিকা গ্রহীতার সংখ্যা।এখন যারা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন তাদের বেশিরভাগ মানুষ সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন।
দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হওয়াকে স্বাস্থ্যখাতে বিরাট অর্জন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে নিম্ন আয়ের মানুষের পাশাপাশি গ্রামের মানুষকেও টিকার আওতায় নিয়ে আসার পরামর্শ দেন তাঁরা।
প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষকে ভ্যাক্সিনেশনের আওতায় নিয়ে আসতে না পারলে টিকাদান কর্মসূচি সফল হবে না বলেও জানান তারা।
বাংলাটিভি/শহীদ



