পুরুষ সেজে দুই নারীকে বিয়ে
ফেসবুকে ছেলেদের নামে একটি ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে মেয়েদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা, অতঃপর বিয়ে। তাও আবার একটি নয়, দুটি বিয়ে। এমন দুঃসাহসিক কাজটি করেছিলেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের সুইটি নামের এক নারী।
প্রথম বিয়ের প্রায় চার বছর পর নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের কাছে ধরা পড়লে তার আসল পরিচয় প্রকাশ পায়।মেডিকেল পরীক্ষার রিপোর্টে সুইটি মেয়ে বলেই প্রমাণিত হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, সুইটি ২০১৩ সালে কৃষ্ণ সেন নামে ফেসবুকে একটি অ্যাকাউন্ট খুলেছিল। প্রোফাইলে সে যে ছবিগুলি পোস্ট করেছিল, সেগুলো ছিল পুরুষের বেশে। এরপর ছেলে সেজে সে বিভিন্ন মেয়েদের সঙ্গে চ্যাট করে তাদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করতো।
এভাবে সুইটি ২০১৪ সালে প্রথম ‘বিয়ে’ করেন উত্তরখণ্ড রাজ্যের এক নারীকে। তখন নিজেকে তিনি ব্যবসায়ীর ছেলে হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। ওই বিয়েতে সাড়ে আট লাখ টাকা যৌতুকও নিয়েছিলেন তিনি। পরে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করেছিলেন স্ত্রীর উপর।
২০১৬ আবার আরেক নারীর সঙ্গে একই কায়দায় ভাব জমিয়ে কিছু দিন পর তাকেও ‘বিয়ে’ করেন সুইটি। একটি এলাকায় ঘর ভাড়া নিয়ে দুই ‘স্ত্রী’ নিয়ে একসাথে বসবাস করতেন তিনি।
দ্বিতীয় স্ত্রী একসময় বুঝতে পারে সুইটি পুরুষ নয়, সে মহিলা। টাকার লোভ দেখিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীকে চুপ করাতে পারলেও প্রথম ‘স্ত্রী’ সুইটির বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। পুলিশ সুইটিকে গ্রেফতার করলে তার অপকর্ম প্রকাশ পায়। পুলিশের কাছে সুইটি জানিয়েছেন, ছোট থেকেই সে নিজেকে ছেলে বলেই মনে করত।



