দেশে কাঁচের চাহিদার বড় একটি অংশ যোগান দিচ্ছে পিএইচপি

১০ বছরের মধ্যে কাঁচ শিল্পে পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিকে এক নম্বরে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে ২০০৫ সালে যাত্রা শুরু করে পিএইচপি ফ্যামিলি। ইতোমধ্যে কাংখিত লক্ষ্যে পৌছতে সক্ষম হয়েছে পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস ইন্ডস্ট্রিজ।
বর্তমানে এ ফ্যাক্টরীতে বছরে বিভিন্ন ধরনের গ্লাস উৎপাদন হচ্ছে একলাখ টন। উন্নত প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি সংযুক্ত করার মাধ্যমে ইতোমধ্যে সম্প্রসারন করা হয়েছে ফ্যাক্টরী।
৩শ কোটি টাকা বিনিয়োগে স্থাপিত দেশের সর্ববৃহৎ পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস ফ্যাক্টরীতে তৈরি হচ্ছে আড়াই এম এম থেকে ১৫ এম এম এর কাঁচ। দেশের আবাসন শিল্পে ইটের পরিবর্তে কাঁচের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় এ শিল্পে বিনিয়োগ করে সফল হয়েছেন দেশের শীর্ষ এ শিল্প গ্রুপ।
বর্তমানে প্রায় ২ হাজার শ্রমিকের দক্ষ হাতের ছোঁয়া আর উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের কাঁচের চাহিদার বড় একটি অংশ যোগান দিচ্ছে পিএইচপি । কাঁচের গুনগত মান বাড়াতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে রিফ্লেক্টিভ কাঁচের আরো একটি বড় কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে পিএইচপি।
কাঁচ শিল্পে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় চাহিদা পূরনের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পিএইচপির কাঁচ রপ্তানি হচ্ছে বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির এই কর্মকর্তা।
দেশীয় কাঁচামাল দিয়ে কাঁচ তৈরির কারণে বিদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি নির্ভরতা কমেছে দেশের কাঁচ শিল্পে। আগামীতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে চট্টগ্রামের এই কারখানাটি এককভাবে দেশের বৃহত্তম কাঁচ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে এমনটাই প্রত্যাশা ।
বাংলাটিভি/শহীদ



