Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
আওয়ামী লীগখেলাধুলাফুটবলবাংলাদেশ

শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকী আজ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৪৯ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাংলাদেশের আধুনিক ফুটবলের পথিকৃৎ বলা হয় তাকে। তার প্রতিষ্ঠিত আবাহনী ক্রীড়াচক্র যা এখন আবাহনী লিমিটেড নামে দেশ-বিদেশের ক্রীড়াঙ্গনে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।  নিজে ছিলেন চৌকস খেলোয়াড়। পরবর্তিতে তার সাংগঠনিক দক্ষতায় বদলে গিয়েছিলো বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন।

বয়স নিছক একটা সংখ্যা, যা দিয়ে মানুষের জীবনকে মাপা যায় না। শুধু তার আয়ুটা বোঝা যায়। সংখ্যাটা কখনো মানুষের জীবনের ব্যাপ্তি আর প্রভাবকে বোঝা এবং বোঝানোর জন্য যথেষ্ট নয়। যে মানুষটার জীবনের দৈর্ঘ্য মাত্র ২৬, তাঁকে কীভাবে মূল্যায়ন করবে আজকের সমাজ কিংবা নতুন প্রজন্ম?

ছোটবেলা থেকেই শেখ কামাল ক্রীড়ানুরাগী ছিলেন। শাহীন স্কুলে পড়ার সময় থেকেই নিয়মিত ক্রিকেট-ফুটবল, বাস্কেটবল খেলতেন। আজাদ বয়েজ ক্লাবের হয়ে শেখ কামাল, প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগে খেলেছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শুধু খেলোয়াড় হিসেবে নয়, ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। বন্ধুদের নিয়ে ধানমন্ডির সাতমসজিদ এলাকায় গড়ে তোলেন আবাহনী ক্রীড়াচক্র।

১৯৭২ সালে ইকবাল স্পোর্টিং ক্লাব নাম পরিবর্তন করে উপমহাদেশের অন্যতম সেরা ক্রীড়া সংগঠন আবাহনী ক্রীড়াচক্রের প্রতিষ্ঠা করেন শেখ কামাল। ক্লাব ভবন থেকে ফুটবল খেলায়, তিনি গোটা উপমহাদেশেই পশ্চিমা স্টাইলে বিপ্লব এনেছিলেন। উপমহাদেশে জাতীয় দলের কোনো বিদেশি কোচ ছিল না। ১৯৭৩ সালে আবাহনীর জন্য বিদেশি কোচ, বিল হার্টকে নিয়োগ দিয়ে তাক লাগিয়ে দেন শেখ কামাল।  পরের বছর আবাহনী কলকাতার ঐতিহ্যবাহী আইএফএ শিল্ড টুর্নামেন্টে অংশ নেয়।

নারীদের খেলাধুলা যাতে কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত না হয় সে কারণে, ধানমণ্ডি মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের জায়গাটাও খুঁজে বের করলেন শেখ কামাল। তার সহধর্মীনি সুলতানা কামালও ছিলেন একজন প্রতিভাবান অ্যাথলেট। দেশজোড়া খ্যাতি ছিল তার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ছাত্রী ছিলেন ব্লু খেতাব পাওয়া প্রথম নারী দাবাড়ু।

অর্ধেক জীবনে শেখ কামাল অনেক কিছু করেছেন। ক্রিকেটার বা বাস্কেটবল খেলোয়াড় হয়ে নাম কুড়াতে পারতেন। অভিনেতা বা সেতার বাদনেও চমৎকার হাত ছিল তাঁর।  আর রাজনীতির দীক্ষা তো তাঁর ঘরেই।  মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ কর্নেল আতাউল গনি ওসমানীর এডিসির দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। জীবনের এত পথ খুলেও কোনোটাকে পাথেয় করেননি, সব অঙ্গন রাঙ্গিয়ে গেছেন নিজের অর্ধেক জীবনে।  ১৯৭৫ সালে, ঘাতকের হিংস্র বুলেট না বিঁধলে নিজের ৭১তম জন্মদিনে হয়তো কেকও কাটতেন শেখ কামাল।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button