
গেলো কয়েক বছর ধরেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে, অর্জনশুন্য দেশের শ্যুটিং ফেডারেশন। যার অন্যতম কারণ সভাপতি-মহাসচিবের দ্বন্দ্ব। বিশেষ করে-কোচ নিয়োগ ও খেলোয়াড়দের নানাভাবে প্রভাবিত করার মত মহাসচিবের উদ্দেশ্যমূলক কাজগুলোকে এর বলে মনে করছেন সংস্থার সভাপতি নাজিম উদ্দিন চৌধুরী ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান সালমান খান।
কে এই কাদের? যিনি বিদেশ থেকে শ্যুটারের নাম ব্যবহার করে আয়কর ফাঁকি দিয়ে দেশে নিয়ে আসতেন অস্ত্র। যার কারণে, করোনাকালীন অস্থিরতার মাঝেও শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে রাজস্ব বোর্ডে হাজিরা দিতে হয়, দেশসেরা শ্যুটারদের।
ফেডারেশনের সভাপতি বলছেন, বিষয়টি নিয়ে তারাও বিভ্রান্ত। তবে মহাসচিব ইন্তেখাবুল হামিদ, বেশ কয়েকবার বিদেশ সফরে গিয়ে, খেলোয়াড়দের উপহার দেয়ার নাম করে, বিভিন্ন অস্ত্র এবং গুলি নিয়ে আসতেন। যা উল্লেখ করা আছে, অভিযোগপত্রে। এ ছাড়া, মাহসচিবের নানা রকম প্রভাব খাটানোর বিষয়েও বেশ উদ্বিগ্ন নির্বাচিত কমিটির কর্মকর্তারা।
সংস্থার কর্মকর্তাদের এসব মন্তব্য এবং অভিযোগের বিষয়ে, মহাসচিবের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, কোনো সাড়া দেননি তিনি।
এখন পুরো বিষয়টি এখন ঝুলে আছে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনার অপেক্ষায়। তার সিদ্ধান্তই পারে, সব ভ্রান্তি-বিভ্রান্তি দূর করে, অস্থিরতায় থাকা শ্যুটিং ফেডারেশনকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে।
মোহাম্মদ হাসিব, বাংলা টিভি



