করোনা : প্রতি মিনিটে মারা গেছেন পাঁচজন

করোনাভাইরাসে দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। গত চব্বিশ ঘণ্টায় পুরোবিশ্বে ৭ হাজার ৩৮০ জন রোগির মৃত্যু হয়েছে। যা এযাবৎ একদিনের মৃত্যুর রেকর্ড, ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসাবে প্রতি মিনিটে মারা গেছে পাঁচজন।
ভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে সাড়ে ১৪ লাখ; এ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন ৮২ হাজারের বেশি মানুষ, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ লাখের বেশি। এদিকে, দীর্ঘ ১১ সপ্তাহ পর লকডাউন তুলে নেয়া হয়েছে করোনার উৎপত্তিস্থল চীনের উহান শহরের।
করোনাভাইরাসের ছোবলে রীতিমত মৃত্যুপুরী হয়ে উঠছে বিশ্ব। গত ২৪ ঘন্টায় মৃতের সংখ্যায় সবার উপরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। সবচেয়ে উন্নত দেশটিতে একদিনেই রেকর্ড সংখ্যক আঠারোশ’র বেশি মানুষ মারা গেছেন, এরমধ্যে শুধু নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যেরই ৭৩১ জন।
দেশটিতে মোট মারা গেছেন ১৩ হাজার। এ অবস্থায় লকডাউন না মানলে শাস্তি বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভাইরাসে ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলা সর্বোচ্চ প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।
পরের অবস্থানে ফ্রান্স। একদিনে ১ হাজার ৪১৭ জনের প্রাণহানি রেকর্ড করা হয়েছে। এর ফলে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়ালো। নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজারের বেশি।
এছাড়া, ইতালি-স্পেন ও যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের দেশগুলোয় একদিনে মারা গেছেন দুই হাজারের বেশি মানুষ। টানা দু’সপ্তাহ রেকর্ড ভাঙার পর, ইতালি-স্পেনে কিছুটা কমেছে করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার।
এদিকে, যুক্তরাজ্যে ২৪ ঘন্টায় সাতশো ৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় দিনের মতো হাসপাতালের আইসিইউতে থাকা দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছে ডাউনিং স্ট্রিট।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, করোনা ঠেকাতে বাড়াতে হবে সমন্বিত উদ্যোগ। ছোঁয়াচে ভাইরাসের চিকিৎসায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা জোরদারে আবারো তাগিদ দিয়েছে সংস্থাটি।
কোভিড-১৯ এর মহামারীতে যখন সারাবিশ্ব উদ্বিগ্ন, তখন এ ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনের উহানে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় প্রত্যাহার করা হয়েছে লকডাউন।



