মজুদ প্রবণতায় ঊর্ধ্বগতি নিত্যপণ্যের বাজারে

বাজারে চাল, ডালসহ নিত্যপণ্যের কোন সঙ্কট নেই তারপরও বাড়ছে দাম। করোনাভাইরাস আতঙ্কে অনেকে নিত্যপণ্য কিনে মজুদ করে রাখছে, যার প্রভাব পড়ছে বাজারে। নিত্যপণ্যের চাহিদা বেশি হওয়ায় এ সুযোগে রাতারাতি বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়িয়েছে ব্যবসায়ীরা এমন অভিযোগ ক্রেতাদের। আর এতে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ।
বাজারে নিত্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে, অহেতুক বেশি পণ্য কিনে অস্থিরতা না সৃষ্টি করতে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার আহ্বান জানানোর পরও তা যেন শুনছে না বেশিরভাগ ক্রেতা।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর কাওরান বাজার ঘুরে দেখা যায় করোনা আতঙ্কে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পরিমাণ পণ্য কিনছে অনেকে। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা বাড়িয়ে দিয়েছে পণ্যের দাম।
করোনা আতঙ্ককে পুঁজি করে মিল মালিক ও ডিলাররা চালের দাম বাড়ানোয় এবং ক্রেতারা তাদের চাহিদার তুলনায় চাল বেশি কেনায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম প্রতি কেজিতে বেড়েছে ছয় থেকে সাত টাকা করে।
এদিকে, পেয়াঁজ বেশি দামে বিক্রি করার অভিযোগে কারওয়ান বাজারে কয়েকজন পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। বাজারে পর্যাপ্ত সবজি থাকার পরও দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য।
এছাড়া, শুকনো মৌসুম শুরু হওয়ায় বাজারে বেড়ে গেছে প্রায় সব ধরনের মাছের দামও। তবে বাজারে গরু ও খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে সরকারের বেঁধে দেয়া দামেই।
শহিদুল হক, বাংলা টিভি



