Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
আন্তর্জাতিকইউরোপ

করোনা : সবচেয়ে ঝুঁকিতে দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো

করোনা মহামারীর প্রকোপ কমাতে সন্দেহভাজন রোগীদের পরীক্ষার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস। সোমবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে, এ ভাইরাস সংক্রমণে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে ঝুঁকিতে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। করোনার বিস্তার রোধে, যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না বলেও মনে করেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই কর্তা।

চীনের উহান থেকে গত ডিসেম্বরে ছড়িয়ে পড়া করোনভাইরাস এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১৬৭টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বৈশ্বিক প্রাদুর্ভাবের এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ-পূ্র্ব এশিয়ার দেশগুলোকে সতর্ক বার্তা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

এর মধ্যে থাইল্যান্ডে একশো ৭৭ জন, ইন্দোনেশিয়ায় একশো ৩৪ জন, ভারতে একশো ২৫ জন, শ্রীলংকায় ১৯, মালদ্বীপে ১৩, বাংলাদেশে ১০ এবং নেপাল ও ভুটানে একজন করে আক্রান্ত হয়েছে।

টেড্রোস বলেন, পরিস্থিতি যেভাবে দ্রুত বদলাচ্ছে, তাতে ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। এ অঞ্চলের দেশগুলোর পরিস্থিতি ইউরোপ-আমেরিকার তুলনায় এখনো ভালো হলেও, গত কয়েক দিনে দক্ষিণ-পূ্র্ব এশিয়ার পরিস্থিতিও অবনতির দিকে।

এই মহামারীর প্রকোপ কমিয়ে আনতে সন্দেহভাজন রোগীদের পরীক্ষার কোনো বিকল্প নেই বলে সতর্ক করেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস। সংকট কাটাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের উৎপাদন বাড়াতেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সব দেশের প্রতি আমাদের খুব সাধারণ একটি বার্তা হলো, পরীক্ষা, পরীক্ষা, পরীক্ষা। সব দেশেরই উচিত সন্দেহজনক সব রোগীকে পরীক্ষা করা। চোখ বন্ধ করে থাকলে দেশগুলো এই মহামারির সঙ্গে লড়াই করতে পারবে না।  পরীক্ষা ছাড়া সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত করা যাবে না, সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙ্গা যাবে না।

করোনায় ইতালি ও ইরানের পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। নতুন করে ইরানে মারা গেছে ১৩৫ জন। ইতালিতে মোট মৃতের সংখ্যা ২ হাজার পাঁচশো তিনজন। গত ২৪ ঘন্টায় দেশটিতে আরো ৩৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রাণহানি প্রায় আট হাজার। আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ ৯৮ হাজার সাতশো ২৭ জন। তবে সুস্থ হয়ে উঠেছে প্রায় ৮৩ হাজার মানুষ।

 মোহাম্মদ হাসিব, ডেস্ক রিপোর্ট

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button