Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
অর্থনীতিদেশবাংলাবানিজ্য সংবাদ

পেঁয়াজের ন্যায্য মূল্য নিয়ে চাষিদের সংশয়

অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে এবার পাবনায় মুলকাটা পেঁয়াজ নির্ধারিত সময়ের ১মাস পরে উঠবে। চাষীরা আগাম পেয়াজ রোপন করলেও অতিবৃষ্টি ও হঠাৎ বন্যায় সেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। বর্তমানে পেঁয়াজের আকাশচুম্বি দাম থাকায় বীজের দামও বেশী। ফলে অধিকমুল্যে বীজ কিনে তা রোপন করে চাষিরা ন্যায্য মুল্য পাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

পাবনায় এবার ৪৯ হাজার ৪শ ২০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। যা দেশের উৎপাদিত পেঁয়াজের অর্ধেক। এছাড়া ৯হাজার ৮শ হেক্টর জমিতে মুলকাটা পেয়াজ রোপনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

জেলায় গড়ে প্রতিবছর সোয়ালক্ষ্য মেট্রিকটন মুলকাটা পেয়াজ উৎপাদন হয়। মুলকাটা পেঁয়াজ মুলত সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে রোপন করা হয়। এবার হাঠাৎ বন্যা আর অতিবৃষ্টিতে রোপনকৃত পেয়াজ পানিতে তলিয়ে গেছে।

বৃষ্টির পানি শুকিয়ে যাওয়ার পরই চাষীরা পেঁয়াজ চাষের জন্য জমি তৈরী করেন। তবে গত মৌসুমে ৫শ থেকে ৬শ টাকা মন দরে মুলকাটা পেঁয়াজের চারা কিনলেও এবার কিনতে হচ্ছে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা মন দরে। যা গত বছরের চেয়ে ১২ থেকে ১৩ গুন বেশি। এতো উচ্চমুল্যে চারা কিনে তা রোপন করে ন্যায্য মুল্য পাবে কিনা তা নিয়ে সংষয় দেখা দিয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী পেঁয়াজ উৎপাদন হলে চাষীদের লোকসানের কোন ভয় নেই বলে জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মাদ আজাহার আলী।

পেঁয়াজ সংরক্ষণাগার তৈরীর পাশাপাশি দেশী পেঁয়াজ ওঠার সাথে সাথে বিদেশ থেকে আমদানী বন্ধ করলে ন্যায্য মুল্য পাবে বলে মনে করছেন চাষীরা।

মোহাম্মাদ আজাহার আলী, পাবনা প্রতিনিধি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button