
শিরোপা পুনরুদ্ধার করতে পারলো না চট্টগ্রাম আবাহনী। শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাবকাপ টুনামেন্টে মালয়েশিয়ার ক্লাব তেরেংগানু এএফসির কাছে, ২-১ গোল ব্যবধানে হারে তারা। ফলে রানাসআপ তকমা নিয়েই আসর থেকে বিদায় নেয় তারা।
কথা রাখতে পারলো না চট্টগ্রাম আবাহনী। ফাইনালে উঠে স্বাগতিক দর্শকদের শিরোপা জয়ের যে স্বপ্ন দেখিয়েছে তারা, তা ভংগ হয়, রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সাথে সাথে।
ম্যাচের প্রথম থেকে ছিল চট্টগ্রাম আবাহনীর দাপট। দুই মিনিটে চালস দিদিয়েরের ক্রসের পর ৯ মিনিটে আসে সবচে ভালো সুযোগ। ডান প্রান্ত দিয়ে আবারো দিদিয়েরের ক্রস গিয়ে পড়ে জামাল ভূঁইয়ার কাছে। শট নিলেও রুখে দেন তেরেংগানুর গোলরক্ষক আমিরুল্লা বিন রাজালি।
এর দুই মিনিট পর এগিয়ে যায় টাটেলসরা। ম্যাচের দ্বিতীয় কর্নারে লি টাকের শট থেকে গোল করেন ডিফেন্ডার হাকিম বিন মামাত। এরপরের সময়টা শুধুই তেরেংগানুর। ২০ মিনিটে মিডফিল্ডার জুলফিকিকলির বাড়িয়ে দেয়া বলে, মোহাম্মদ আলিয়াসের নৈপুন্যে হার মানে স্বাগতিক গোলরক্ষক নেহাল।
পুরো সময় জুড়ে তেরেংগানুর আক্রমণ সামলাতে ব্যস্ত থাকে চট্টগ্রাম আবাহনী। ৪২ মিনিটে লি টাকের শট গোলপোস্টের উপর দিয়ে না গেলে, হয়তো প্রথমার্ধেই আরেকটি গোল হজম করতে হতো স্বাগতিকদের।
বিরতির তিন মিনিট পর স্বাগতিক দর্শকদের উন্মাদনায় মাতান স্ট্রাইকার রকতোভিচ লুকা।
চট্টগ্রাম আবাহনীর সমতায় ফেরার প্রচেষ্টা বিফলে যায়, ফিনিশিং রাজ্ঞাতে না পারায়। অপদিকে ৬৩ মিনিটে লি টাকের জোড়ালো শট প্রায় পরাস্তই করে ফেলে, নেহালকে।
৭৯ মিনিটে রকতোভিচের শট গোলরক্ষকের গায়ে লেগে মাঠের বাইরে গেলে কর্নার পায় ব্লু পাইরেটসরা। কিন্তু তাতেও সমতায় ফিরতে পারেনি তারা।
শেষদিকে কিছু আক্রমণ করেও, গোল আদায় করতে পারেনি দলটি। ২০১৫’র চ্যাম্পিয়নদের খেলা শেষ করতে হয় রানাসআপ হয়েই।



