
মোহাম্মদ হাসিব : জুয়া, হাউজি, ক্যাসিনো সাম্প্রতিক সময়ে টক অফ দ্যা কান্ট্রি। অবৈধ আর অনৈতিক এসব কার্যক্রম এক কালো অধ্যায়ের সূচনা করেছে দেশের স্পোর্টিং ক্লাবগুলোতে। ইয়ংমেন্স, আরামবাগ, দিলকুশা ক্লাবের গল্প যতটা না অবাক করেছে, তারচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এর সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান ক্লাবের সম্পৃক্ততা। যা লজ্জিত করে, সাদা-কালো পোশাকে এক সময়কার মাঠ কাঁপানো ফুটবলারদের।
এ প্রসঙ্গে বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ফজলুর রহমান বাবু বলেন, ক্লাবগুলোতে রাতারাতিই এমন অবস্থা হয়নি, তা ঠিক। তারপরও, ক্রীড়াঙ্গন ঘিরে এই কালিমা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। অথচ পারফম্যান্সের চেয়েও বাড়তি দামে খেলোয়াড় কেনা-বেচা, আর এ কারণেই এমন অনৈতিক কাজ করতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন এই বাফুফে সদস্য।
অন্যদিকে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ফুটবলার হাসানুজ্জামান খান বাবলু বলেন, যে ক্লাবগুলোর খেলাধুলায় মগ্ন থেকে দেশের সুনাম কুড়ানোর কথা, অথচ সেই ক্লাবগুলোতে বসতো অপরাধের আসর। পুরো বিষয়টি উন্মুক্ত হওয়ার পর দৃশ্যমান হলে দেখা যায় ক্লাব কর্তারাই ছিলেন এর নেপথ্যের কারিগর। এটা ক্রীড়াঙ্গনের জন্য লজ্জার।
আরেক সাবেক ফুটবলার নাসিম হিরো বলেন, অর্থ সংকটের কারণে প্রতিবছর ভালো খেলোয়াড় নিয়ে দল গড়তে না পারায়, অতীতে বহুবার খবরের শিরোনাম হয়েছে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ফকিরাপুলের ইয়ংমেন্স, মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়াচক্র ও ওয়ান্ডারার্স ক্লাব।
কিন্তু ক্লাবগুলোর বিরুদ্ধে কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের খবর ছিলো না। অথচ সাম্প্রতিক সময়ের ক্যাসিনো কান্ড ক্লাবগুলোর সব ঐতিহ্যকেই ধুলিসাৎ করে দিয়েছে।
বাংলাটিভি/ নূর



