
ঝিনাইদহের সরিষাক্ষেতে বাণিজ্যিকভাবে হচ্ছে মধুচাষ। এতে, একদিকে যেমন বেকারদের কর্মসংস্থান হচ্ছে অন্যদিকে, বাড়ছে সরিষার ফলন। মৌমাছির মাধ্যমে ফুলে পরাগায়ন ঘটানোয়, সরিষার উৎপাদন দেড়গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন, কৃষকরা। এ অবস্থায় কৃষক ও মৌয়ালদের উৎসাহিত করতে সরকারি উদ্যোগের কথা ভাবছেন কৃষি কর্মকর্তাগণ।
চলতি রবিশস্য মৌসুমে ঝিনাইদহ সদর, কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুরসহ ৬ টি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মাঠে মাঠে এখন চোখে পরে সরিষা। যে দিকে দুচোখ যায়, শুধু হলুদের সমারোহ। ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য মতে চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমির সরিষার আবাদ করা হয়েছে।
এই মৌসুমে, দূর-দূরান্ত থেকে আসা মৌ-চাষিদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে সরিষাক্ষেতগুলো। হাজার হাজার মৌমাছি সরিষার ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে, বাক্সে জমা করে। আর মৌ-চাষিরা ৬দিন পরপর সেই বাক্সগুলো থেকে ধোঁয়ার মাধ্যমে, মধু সংগ্রহ করে থাকে। প্রতিদিন এ এলাকার মানুষ খাটি মধু কিনতে ভীড় করছেন সেখানে। কম দামে খাঁটি মধু পেয়ে সন্তুষ্ট ক্রেতারা। অন্যদিকে এ বছর সরিষার আবাদ ভালো হওয়ায়, মধুর উৎপাদন নিয়ে বেশ খুশি মৌ চাষিরা।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোফাকখারুল ইসলাম এভাবে বাণিজ্যিকি করনের মাধ্যমে মধুচাষ দিনদিন বাড়ালে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের নতুন পথ উম্মোচিত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন এই কৃষি কর্মকর্তা। এদিকে মৌ চাষে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে, দেওয়া হচ্ছে নানা পরামর্শ।



