
কৃষি উন্নয়ন ও যান্ত্রিকীকরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ জানিয়ে বাংলাদেশের জন্য উপযোগী কৃষি যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন ও আমদানীর বিষয়েও বিজ্ঞানী ও ব্যবস্যায়ীদেরকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, কৃষিমন্ত্রী ড.মো.আব্দুর রাজ্জাক।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট চত্বরে অনুষ্ঠিত তিন দিন ব্যাপি জাতীয় কৃষি যন্ত্রপাতি মেলা ২০১৯ এর উদ্বোধনী ও আলোচনা সভায় এ কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী ।
তিনি বলেন, যান্ত্রিকীরণের প্রসার ঘটাতে সরকার উন্নয়ন সহয়তা বা ভতুর্কি দিচ্ছে।কৃষি যন্ত্রপাতিতে ভবিষ্যতে ভতুর্কি আরও বাড়ানো হবে।আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর কৃষির প্রয়োজনে কৃষিতে যন্ত্রের ব্যবহার এখন অনস্বিকার্য।
প্রযুক্তির ব্যবহার দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে সঙ্গে উন্নত দেশগুলো আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে কৃষিতে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। বাংলাদেশেও কৃষিতে লাগসই কৃষি গবেষণায় উদ্ভাবিত নতুন জ্ঞান ও প্রযুক্তিকে যথাযথভাবে প্রান্তিক চাষিদের কাছে পৌঁছানোর ওপর কৃষি উন্নয়ন অনেকাংশে নির্ভরশীল।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে এখনও কৃষির গুরুত্ব অনেক বেশি। বর্তমান সরকার কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। কৃষিকে লাভজনক ও বাণিজ্যিকীকরণে যান্ত্রিকীকরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এজন্য সরকার কৃষি যান্ত্রিকীকরণের সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে।
তিনি বলেন, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ছোট ও কার্যকর যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করতে হবে।কৃষি আধুনিকায়নে যন্ত্রেব ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।২০৪১ সলে উন্নত বিশ্বের উত্তীর্ণ হতে হলে,এসব কৃষি যন্ত্রপাতির বাজার হবে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ীদেরকে কৃষি যন্ত্রপাতি উৎপাদন খাতে বিনিয়োগের জন্য উদাত্ত আহ্বানও জানান তিনি।
কৃষিকাজে যন্ত্রের ব্যবহার শস্যের অপচয় হ্রাস পায় প্রায় ৫-১০শতাংশ।দেশে বর্তমানে ২৩ লাখ ৮০ হাজার ১শ ৭১টি কৃষি যন্ত্র ব্যবহৃদ হচ্ছে,এর মধ্যে ৪লাক ৭০ হাজার ১শ টি গভীর,অগভীর ও শক্তিচালিক পাম্প এবঙ বাকি ১৯লাখ ১১হাজার ৭১টি ফসল বপন,কর্তন,রোপন,মারাইসহ বিভিন্ন যন্ত্র। এই প্রকল্পের মাধ্যমে এপর্যন্ত ৬৫ হাজার ৩শ ২৯ টি যন্ত্র প্রদান করা হয়েছে। এবার জাতীয় কৃষি যন্ত্রপাতি মেলায় এপর্যন্ত সরকারি ৮টি ওবেসরকারি ২১ টি প্রতিষ্ঠান এবং ৩টি প্যাভেলিয়ন রয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সচিব নাসিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা।
বাংলাটিভি/ফাতেমা/হাকিম



